১৬২ বছর ধরে পানির নিচে থাকা গিনেস

সম্পাদনা করেছেন: Svitlana Velhush

১৬২ বছর ধরে পানির নিচে থাকা গিনেস-1

ডোভার উপকূলে ডুবুরিরা সমুদ্রের তলদেশ থেকে ১৮৬৪ সালের গিনেস এক্সট্রা স্টাউট-এর একটি বোতল উদ্ধার করেছে। এটি একটি ডুবে যাওয়া জাহাজের মালপত্রের মধ্যে ছিল এবং দেড় শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে পানির নিচে পড়েছিল।

এখানে সবচেয়ে মজার বিষয় এই নয় যে, এটি পান করা যাবে কিনা।

গবেষকদের কাছে বরং এই প্রাচীন স্টাউটের ইস্ট এবং উপাদান অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যদি বোতলটির মধ্যে গবেষণার উপযোগী অণুজীব টিকে থাকে, তাহলে বিজ্ঞানীরা ভিক্টোরিয়ান যুগে গিনেস কেমন ছিল তা ভালোভাবে বুঝতে পারবেন এবং হয়তো এর ঐতিহাসিক স্বাদ পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করতে পারবেন।

গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, জাহাজডুবির স্থানে আরও গিনেসের বোতল থাকতে পারে। ১৮৬৪ সালে ইংলিশ উপকূলের কাছে একটি সংঘর্ষের পর জাহাজটি ডুবে যায়।

১৬২ বছর পর বিয়ারটি "এখনও পান করা যেতে পারে" – এই কথাটি শুনতে দারুণ লাগে, কিন্তু এর প্রতি সতর্ক থাকা উচিত। বোতলটি সত্যিই তরল ধরে রেখেছে, তবে এর মানে এই নয় যে কেউ এটি খুলে স্বাদ গ্রহণ করার পরামর্শ দিচ্ছে।

এর ভেতরের উপাদানগুলো প্রাথমিকভাবে গবেষকদের কাছেই আগ্রহের বিষয়।

কিন্তু গল্পটা প্রায় নিখুঁত।

বিয়ারটি রানী ভিক্টোরিয়ার সময়ে তৈরি হয়েছিল। তারপর এটি সমুদ্রযাত্রায় বের হয়, জাহাজ ডুবে যায়, যুদ্ধ আসে, প্রজন্ম ও প্রযুক্তির পরিবর্তন হয় — আর গিনেসের বোতলটি এত দিন সমুদ্রের তলদেশে পড়ে থাকে।

আর এই ১৬২ বছর পর এটি আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে এসেছে।

সম্ভবত এটি বিয়ারের ইতিহাসে দীর্ঘতম যাত্রাপথগুলোর মধ্যে একটি — তৈরির স্থান থেকে সম্ভাব্য পরবর্তী পানীয় তৈরি পর্যন্ত।

43 দৃশ্য
আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।