টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে হিউম্যানয়েড রোবট: কর্মীদের চাপ কমাতে জাপান এয়ারলাইনসের নতুন উদ্যোগ

লেখক: Tatyana Hurynovich

জাপান এয়ারলাইনস টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে চীনের তৈরি হিউম্যানয়েড রোবট নিয়ে দুই বছরের একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালুর ঘোষণা দিয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসে শুরু হতে যাওয়া এই পরীক্ষার প্রথম ধাপে রোবটগুলো 'জিএমও এআই অ্যান্ড রোবটিক্স'-এর সহযোগিতায় কার্গো কন্টেইনার ওঠানো-নামানোর কাজ করবে।

কোম্পানির গ্রাউন্ড সার্ভিসে বর্তমানে প্রায় ৪,০০০ কর্মী কাজ করলেও পর্যটনের জোয়ার—২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসেই ১ কোটির বেশি বিদেশি পর্যটক জাপান ভ্রমণ করেছেন—এবং কর্মক্ষম জনসংখ্যা কমে যাওয়ায় সেখানে লোকবল সংকট দেখা দিয়েছে।

ভবিষ্যতে এই রোবটগুলো কেবিন পরিষ্কার এবং কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করতে পারলেও ফ্লাইট নিরাপত্তার তদারকি বা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি মানুষের হাতেই থাকবে।

বিমানবন্দরে রোবটের ব্যবহার বর্তমানে একটি বৈশ্বিক প্রবণতা হলেও এগুলো মূলত সহায়ক হিসেবে কাজ করে থাকে। সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরে 'গিবসন' নামক একটি রোবট টহল দেয় যা টার্মিনাল জুড়ে চলাচলের পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তাদের বহন করে।

স্যান অ্যানটোনিও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সন্দেহজনক কার্যকলাপ রেকর্ড করার জন্য 'নাইটস্কোপ কে৫' পরীক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া হিথ্রো বিমানবন্দরে মালামাল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিন্যস্ত করার কাজে বিশেষায়িত সিস্টেম ব্যবহৃত হচ্ছে।

সম্ভাব্য প্রভাব। এই পরীক্ষার সাফল্য গ্রাউন্ড সার্ভিসে রোবটের ব্যবহার ত্বরান্বিত করবে এবং চার্জিং স্টেশন ও আইটি ইন্টিগ্রেশনের মতো অবকাঠামোর চাহিদা বৃদ্ধি করবে।

একটি বহুমুখী সমাধান হিসেবে হিউম্যানয়েড রোবটের ব্যবহার এদের উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনতে পারে এবং এভিয়েশন খাতের বাইরেও এদের প্রসার ঘটাতে পারে।

6 দৃশ্য
আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।