NASA সম্প্রতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাঠপর্যায়ের পরীক্ষা চালিয়েছে, যা সৌরজগৎ অনুসন্ধানের ভবিষ্যৎ মিশনগুলোকে আরও কার্যকর করে তুলতে পারে।
2026 সালের জুলাই মাসে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের ব্ল্যাকসবার্গে Virginia Tech Transportation Institute-এর পরীক্ষাক্ষেত্রে ASTRA (Adaptive Sensing Technology for Responsive Autonomy) দল Noblis-এর অংশীদারদের সঙ্গে তিনটি রোবোটের একটি বহর পরীক্ষা করেছে।
ড্রোনটি মানুষ কর্তৃক নির্ধারিত প্রাথমিক লক্ষ্যের ভিত্তিতে আগ্রহের অঞ্চল নির্বাচন করেছিল। এরপর সিস্টেমটি ঝুঁকি ও বৈজ্ঞানিক মূল্য মূল্যায়ন করে ঠিক করেছিল কোন রোবোট কাজটি ভালোভাবে সম্পন্ন করবে।
বহরটি নিরন্তর পরিবেশ পরীক্ষা করেছিল, নতুন তথ্যের সঙ্গে পরিকল্পনা খাপ খাইয়েছিল এবং মানুষকে জানিয়েছিল। এটি মূল কাজটি ছেড়ে দেয়নি, তবে অপ্রত্যাশিত কোনো আবিষ্কার অনুসন্ধানের জন্য অতিরিক্ত একটি রোবোটকে যুক্ত করতে পারত।
প্রকল্পের লক্ষ্য হলো যেখানে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব—দূরবর্তী মিশনে বা চাঁদ ও মঙ্গলের বিপজ্জনক অঞ্চলে—সেখানে মানব বৈজ্ঞানিক দলের একটি নির্ভরযোগ্য উত্তরসূরি তৈরি করা।
সিস্টেমটি কেবল বস্তুনিষ্ঠ তথ্য—দূরত্ব, গতি, রোবোটের প্রাপ্যতা—বিবেচনা করে না, বরং আত্মগত অগ্রাধিকারও বিবেচনা করে: মূল পরিকল্পনার তুলনায় নতুন তথ্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং ঝুঁকিটি গ্রহণযোগ্য কি না।
«আমরা চাই মিশনগুলো এমন কাজ করতে পারুক যা আগে করতে পারত না, কারণ জাহাজে এমন কেউ ছিল না যে একইসঙ্গে এই সব মানদণ্ড বিচার করে», — বলেছেন গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের ASTRA প্রকল্পের প্রধান বেথানি টেইলিং।
পরীক্ষায় দেখা গেছে, বহরটি নিজের সক্ষমতা ও দলের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম।
পরীক্ষায় Aurora Engineering এবং টালসা বিশ্ববিদ্যালয়ও অংশ নিয়েছিল। প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো রোবোটগুলো যেন বেশি বৈজ্ঞানিক তথ্য ফিরিয়ে আনে এবং মানুষের নিরন্তর হস্তক্ষেপ ছাড়াই আবিষ্কার ত্বরান্বিত করে।
«এআই-সোয়ার্ম» (বা «সোয়ার্ম প্রযুক্তি», «সোয়ার্ম বুদ্ধিমত্তা») শব্দটি একটি পেশাগত অপভাষা, ইংরেজি AI swarm বা swarm robotics-এর অনুরূপ।
এআই — কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
সোয়ার্ম — এসেছে «ঝাঁক» শব্দ থেকে (যেমন মৌমাছি, পিঁপড়া, পঙ্গপাল বা পাখির ঝাঁকের ক্ষেত্রে)।
