সম্পত্তি নয়, বরং অনুভূতিশীল প্রাণী: যেসব দেশে কুকুরের প্রতি মানবিক আচরণ আইন দ্বারা সুরক্ষিত

লেখক: Katerina S.

সম্পত্তি নয়, বরং অনুভূতিশীল প্রাণী: যেসব দেশে কুকুরের প্রতি মানবিক আচরণ আইন দ্বারা সুরক্ষিত-1

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কুকুরের প্রতি মনোভাব সম্পূর্ণ উদাসীনতা থেকে শুরু করে আইনি অধিকার সম্পন্ন সমাজের পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসাবে স্বীকৃতি পর্যন্ত ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। বেশ কিছু দেশে প্রাণীদের সুরক্ষা সাংবিধানিক স্তরে সুরক্ষিত, এবং কুকুরের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য প্রকৃত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

১. জার্মানি: অনুভূতিশীল প্রাণী হিসেবে কুকুর।

প্রাণী অধিকার সুরক্ষায় জার্মানি বিশ্ব নেতাদের মধ্যে অন্যতম হিসাবে বিবেচিত। ২০০২ সালে প্রাণীদের সুরক্ষা সরাসরি ফেডারেল রিপাবলিক অফ জার্মানির মৌলিক আইনে (Grundgesetz, ধারা ২০ক) অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা এটিকে রাষ্ট্রের একটি সাংবিধানিক দায়িত্বে পরিণত করে। ফেডারেল প্রাণী সুরক্ষা আইন (Tierschutzgesetz) কুকুরের রক্ষণাবেক্ষণ, পরিবহন এবং ব্যবহারের শর্তাবলী বিস্তারিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।

পোষা কুকুর:

- কুকুরকে আইনত একটি অনুভূতিশীল প্রাণী (Mitgeschöpf) হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, কোনো বস্তু হিসাবে নয়।

- দিনে কয়েক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কুকুরকে শেকল দিয়ে বেঁধে রাখা নিষিদ্ধ, এবং অনেক রাজ্যে শেকল দিয়ে বেঁধে রাখা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।

- বেশ কয়েকটি ফেডারেল রাজ্যে নির্দিষ্ট প্রজাতির কুকুর বা সমস্ত নতুন মালিকদের জন্য ডগ স্কুল (Hundeschule) এ যাওয়া বাধ্যতামূলক।

- ট্যাক্স নিবন্ধন (Hundesteuer) চালু করা হয়েছে, যা একই সাথে একটি হিসাবরক্ষণ প্রক্রিয়া হিসাবে কাজ করে।

- কুকুরের কান ও লেজ কাটা নিষিদ্ধ।

ভবঘুরে কুকুর:

- জার্মানিতে ভবঘুরে কুকুর একটি অত্যন্ত বিরল ঘটনা। রাষ্ট্র এবং দাতব্য সংস্থাগুলি দ্বারা অর্থায়িত Tierheim (প্রাণী আশ্রয়) ব্যবস্থার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে।

- আশ্রয়কেন্দ্রগুলি

7 দৃশ্য
আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।