❓প্রশ্ন:
অভিমান/অপরাধবোধ নিয়ে ভাবতে গিয়ে দেখলাম, আমার বিশেষ কিছু হওয়াটা ভালো লাগে। ধরুন, আমি হিটলারকে বুঝি, যাঁর জাতির বিশেষত্ব নিয়ে একটা বাতিক ছিল, আমারও তেমন। আর দেখলাম, এটা আমার মধ্যে কোনোভাবে «পৃথিবীবাসী, যেন, "নিচু"» — এই ভাবনার সঙ্গে জড়িত, মূলত জাতিগুলোর মধ্যেও এই মনোভাব লক্ষ করা যায়। স্পষ্ট, কেউ নিচু/উঁচু নয়, কিন্তু এটা সভ্যতার স্মৃতির সংকেতের মতো অনুভব হয়। আমি এখান পর্যন্ত পৌঁছাই, মনে হয় একত্ব অনুভব করি: যারা আছে সবাই-সবাই, বিভিন্ন সভ্যতা — এরা এক অঙ্গ, সবকিছু পরস্পর সংযুক্ত এবং প্রত্যেকে অনন্য, তবু একত্ব গঠন করে। কিন্তু যেন পুরোপুরি নয়, যেন শেষ পর্যন্ত ছাড়া হয় না।
❗️লি-এর উত্তর:
এটাই বিষয় — বৈচিত্র্যের একত্ব।
অর্থাৎ মানুষ প্রায়ই «আমরা এক» বিষয়টিতে যুক্তি দেখে — «আমরা একই রকম»।
কিন্তু ব্যাপারটা সম্পূর্ণ উল্টো।
আমরা এক মানে — আমরা মিলে একটি ছবি গড়ি। অর্থাৎ — আমাদের অর্থ লুকিয়ে আছে সামগ্রিক ছবির অর্থে।
কিন্তু!
আমাদের প্রত্যেকে সম্পূর্ণ অনন্য একেকটি পাজল।
একই রকম (একরঙা) টুকরোর সেট থেকে কোনোভাবেই একটি জটিল সামগ্রিক ছবি গড়া যায় না। সব টুকরা, প্রতিটি পাজল অনন্য ও ভিন্ন হতে হবে। যেমন গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ শেষ পর্যন্ত তার সামগ্রিক অবস্থায় মিলিত হয়।
তাই আপনার বিষয় — পার্থক্যের মধ্যে কল্যাণ দেখা, যাতে একত্ব বোঝা যায়।




