বিশ্বে প্রথমবারের মতো পয়ঃনিষ্কাশন কেন্দ্রে ভাসমান wetlands-এর একটি বৃহৎ আকারের পরীক্ষা চালানো হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যের ফিলিপ আইল্যান্ডে একটি পয়ঃনিষ্কাশন উপহ্রদে স্থানীয় গাছপালাসহ একটি প্ল্যাটফর্ম স্থাপন করা হয়েছে।
RMIT University-র গবেষকরা Westernport Water এবং CSIRO-এর সাথে যৌথভাবে এই দুই বছরব্যাপী পরীক্ষাটি পরিচালনা করেছেন। প্রায় 330 বর্গমিটার আয়তনের প্ল্যাটফর্মটি — যা দেড়টি টেনিস কোর্টের সমান — নলখাগড়া এবং সেজ ঘাস দিয়ে পূর্ণ ছিল।
গাছের শিকড়গুলো পানিতে ঝুলে ছিল এবং অণুজীবের জন্য একটি পরিবেশ তৈরি করেছিল। পুষ্টি উপাদান অপসারণ নয়, বরং এই অণুজীবগুলোই নির্গমন হ্রাসের মূল চাবিকাঠি হয়ে উঠেছে।
ফলাফলে দেখা গেছে: নিয়ন্ত্রণাধীন উপহ্রদের তুলনায় সামগ্রিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন প্রায় 30 শতাংশ কমেছে। CO₂ নির্গমন 36 শতাংশ এবং মিথেন নির্গমন 66 শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে।
স্থাপনের মাত্র চার থেকে সাত মাসের মধ্যেই এই হ্রাস লক্ষ্য করা গেছে। নাইট্রোজেনের মাত্রাও 18 শতাংশ কমেছে।
পয়ঃনিষ্কাশন বর্জ্য বিশ্বব্যাপী মিথেন এবং নাইট্রাস অক্সাইড নির্গমনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। প্রকৃতি এখানে জটিল প্রযুক্তি ছাড়াই একটি সহজ সমাধান প্রস্তাব করেছে।
এই পদ্ধতিটি কি অন্যান্য অঞ্চল এবং জলাশয়ের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা সম্ভব? গবেষকরা ইতিমধ্যে বাস কোস্ট এলাকার খামারের পুকুরগুলোতে এই নকশাটি পরীক্ষা করছেন।
ভাসমান wetlands বিদ্যমান উপহ্রদগুলোতে সহজেই খাপ খাইয়ে নেওয়া যায়। এটি প্রাকৃতিক সমাধানের মাধ্যমে পানি খাতের কার্বন নিঃসরণ কমানোর পথ প্রশস্ত করে।
এই প্রকল্পটি 2035 সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনের ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যের লক্ষ্যকে সমর্থন করে। পরবর্তী পরীক্ষাগুলো দেখাবে যে এই পদ্ধতিটি কতটা ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

