ভারতের দক্ষিণে ওয়ায়ানাদ অভয়ারণ্যে 26 সেপ্টেম্বর 2026 সালে দুই দিনব্যাপী শকুন গণনা শুরু হয়েছে। কেরালার বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বন বিভাগ, ভারতের বিশ্ব বন্যপ্রাণী তহবিল এবং হিউম বাস্তুসংস্থান ও জীববিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রচেষ্টা একত্রিত হয়েছে।
শকুন প্রকৃতিতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে: তারা দ্রুত মৃতদেহ সরিয়ে ফেলে, পচনশীল দেহাবশেষ জমা হওয়া রোধ করে এবং রোগজীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি কমায়। তাদের এই কাজ পুষ্টি উপাদানের চক্রাকার প্রবাহে সহায়তা করে, সমগ্র ভূদৃশ্যের স্বাস্থ্য রক্ষা করে।
তিনটি স্থায়ী প্রজাতি সংরক্ষণের জন্য ওয়ায়ানাদ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ: সাদা পিঠের শকুন, লাল মাথার শকুন এবং ভারতীয় শকুন। এই অঞ্চল নীলগিরি জীবমণ্ডল সংরক্ষিত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে বড় স্তন্যপায়ী প্রাণীরা বাস করে এবং পাখিদের খাদ্য সরবরাহ করে।
মাঝে মাঝে এখানে পরিযায়ী শকুনও দেখা যায় — হিমালয়ের শকুন ও কালো শকুন। এটি এই অভয়ারণ্যের ভূমিকা তুলে ধরে, যা এই বাধ্যতামূলক মৃতদেহভোজী প্রজাতিগুলোর ব্যবহৃত বিস্তীর্ণ অঞ্চলের অংশ।
যৌথ এই গণনা পাখিদের বর্তমান বিস্তার ও সংখ্যা স্পষ্ট করতে সহায়তা করবে। এই ধরনের তথ্য পরিবর্তনশীল পরিবেশে আবাসস্থল ও খাদ্যস्रोত রক্ষার পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে।
আয়োজকরা জোর দিয়ে বলেন, শকুন কেবল ‘আবর্জনা পরিষ্কারক’ নয়, বরং বাস্তুতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যাদের সুস্থতা অঞ্চলের সমগ্র প্রকৃতির অবস্থা প্রতিফলিত করে।
এই ধরনের প্রজাতির নিয়মিত পর্যবেক্ষণ সময়মতো পরিবর্তন লক্ষ্য করতে এবং বন্যপ্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষাকারী সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।
