মরক্কোর সাহারা মরুভূমিতে বন্যপ্রাণীর এক ফরাসি আলোকচিত্রী রেমি ভাশে মরুভূমির অন্যতম রহস্যময় প্রাণীর ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছেন— বালির বিড়াল।
Какая лапочка. Мимими.
В пустыне Марокко французскому фотографу удалось заснять барханного кота — одну из самых неуловимых диких кошек в мире Встретить его в естественной среде крайне сложно, поэтому такие кадры считаются большой удачей. Какой же он неуловимучий
এই ছোট বন্য বিড়ালটিকে দেখতে অনেকটা খেলনার মতো: বিশাল কান, বালির রঙের লোম, সুন্দর মুখাবয়ব এবং একদম পোষা বিড়ালের মতো অভিব্যক্তি। কিন্তু প্রকৃতিতে একে দেখা সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার।
বালির বিড়াল, বা Felis margarita, মূলত নিশাচর, বালি ও পাথরের মধ্যে নিজেকে চমৎকারভাবে লুকিয়ে রাখতে পারে এবং মরুভূমির দৃশ্যের সাথে আক্ষরিক অর্থেই মিশে যেতে পারে। দিনের বেলা সে সাধারণত গরম থেকে বাঁচতে লুকিয়ে থাকে এবং সূর্যাস্তের পর শিকারে বের হয়।
এই গল্পটিকে বিশেষ করে হৃদয়স্পর্শী করে তুলেছে যে বিষয়টি, তা হলো এটি কেবল একটি প্রাপ্তবয়স্ক বিড়ালের গল্প নয়। স্থানীয় একটি দল মরুভূমিতে বালির বিড়ালের কয়েকটি ছানা। যখন আলোকচিত্রী সেখানে পৌঁছান, তখন পাশে কেবল একটি ছানাই ছিল।
কিছু সময় দূর থেকে সেটির ওপর নজর রাখা হয়েছিল, যাতে কোনো হস্তক্ষেপ না হয়। মা ফিরে আসবে কি না, তা স্পষ্ট ছিল না।
তবে গল্পটির শেষটা ভালোই হয়েছে—পরবর্তীতে বিড়ালছানাটি আবার তার মায়ের কাছে ফিরে গিয়েছিল।
ঠিক এই মুহূর্তগুলোই মনে করিয়ে দেয় যে, মরুভূমির জীবন কতটা নাজুক ও শান্ত হতে পারে।
বালির বিড়াল সবচেয়ে বড় বা সবচেয়ে ভয়ংকর শিকারিদের তালিকায় পড়ে না। এর ওজন মাত্র কয়েক কিলোগ্রাম। কিন্তু প্রকৃতি একে কঠোর পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার মতো করে গড়ে তুলেছে: ঘন লোম তাপমাত্রার পরিবর্তন থেকে রক্ষা করে, থাবাগুলো লোমে ঢাকা থাকায় গরম বালির ওপর দিয়ে চলা সহজ হয় এবং বিশাল কান মাটির নিচ থেকেও শিকারের শব্দ শুনতে সাহায্য করে।
ছবিগুলোতে একে দেখতে অনেকটা সাধারণ বিড়ালছানার মতো লাগে, যাকে বাড়িতে নিয়ে যেতে ইচ্ছে করে।
তবে এটি এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে এই আদুরে ভাব খুবই বিভ্রান্তিকর।
আমাদের সামনে রয়েছে এক সত্যিকারের মরু শিকারি, যে এমন জায়গায় বেঁচে থাকতে সক্ষম যেখানে দিনের বেলা বালি তেতে ওঠে, আর রাতে তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যায়।
সেপ্টেম্বরে বালির বিড়ালের ছবিগুলো আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল — আর তা বিস্ময়ের ব্যাপার নয়।
কখনও কখনও প্রকৃতির কাছে আমাদের শুধু বিশাল কানওয়ালা ছোট্ট একটি বালুর রঙের মুখ দেখানোই যথেষ্ট, যাতে মনে করিয়ে দেওয়া যায়:
পৃথিবীতে এখনও এমন অনেক প্রাণী রয়েছে, যাদের আমরা প্রায় কখনও দেখি না — যদিও তারা আমাদের একেবারে কাছেই বাস করে।


