❓প্রশ্ন:
যখন দোকানে আমার প্রয়োজনের চেয়ে বেশি টাকা ফেরত দেওয়া হত, বা চালানে কিছু কেনা জিনিস অন্তর্ভুক্ত করা হত না, আমি সবসময় এটাকে সততার জন্য মহাবিশ্বের এক ধরণের পরীক্ষা হিসেবে নিতাম। সবসময় অতিরিক্ত টাকা ফিরিয়ে দিতাম। কিন্তু এখন এমন ভাবনা আসছে যে, হতে পারে এটা কোনো পরীক্ষাই নয়, বরং বিপরীতভাবে, এটা একটা উপহার? এই বিষয়ে আমার কী ভাবা উচিত?
❗️উত্তর lee:
মহাবিশ্ব আপনার সম্পর্কে সবকিছু জানে, তাই আপনাকে পরীক্ষা করার কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু আপনি নিজেই নিজেকে পরীক্ষা করতে পারেন। এক্ষেত্রে অন্যের প্রতি সততা নয় (এটা অর্থহীন), বরং নিজের প্রতি সততা পরীক্ষা করা উচিত।
আপনি যেমনটা নিজেকে ভাবেন, তেমন কাজই কি করেন?
আর 'অতিরিক্ত টাকা ফেরত' - এই সংমিশ্রণ দুটি বিষয়কে নির্দেশ করে - আপনি নিজেকে দেখতে পাচ্ছেন এবং আপনাকে একটি সংকেত দেওয়া হচ্ছে - আপনি 'সহজেই' টাকা পেতে পারেন। এই সংকেত 'ফেরত টাকা থেকে উপার্জন' বোঝায় না - এটি কেবল একটি নিশ্চয়তা যে, যেকোনো উৎস থেকে আপনার কাছে আপনার কোনো প্রচেষ্টা ছাড়াই বা 'কীভাবে উপার্জন করবেন' এই ধারণা ছাড়াই 'সহজেই' টাকা আসতে পারে। আপনি সহজেই আপনার যা ইচ্ছা তা পেতে পারেন।
আর নিজের প্রতি সততা আপনাকে শান্তভাবে অন্যকে তার প্রাপ্য ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ দেয়। অর্থাৎ, 'আমি হারাবো' এই চিন্তা ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ ফিরিয়ে দেওয়া, বরং এই চিন্তা নিয়ে যে 'ধন্যবাদ এই সংকেতের জন্য, আমি অন্যের সামান্য জিনিস ফিরিয়ে দিয়ে জানি যে আমি আমার জিনিস বহু গুণ বেশি পাবো'।
এখানে 'পরের' বলতে যা বস্তুনিষ্ঠভাবে তাই বোঝানো হয় - অতিরিক্ত দার্শনিক ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। আর 'আমার' যখন আসবে - তখন তা ব্যক্তিগত 'যোগ্যতা' বা 'মর্যাদা'র অতিরিক্ত ব্যাখ্যা ছাড়াই সহজে গ্রহণ করা হবে।




