❓ প্রশ্ন:
ওয়েবিনার “কীভাবে কম্পন (vibrations) বৃদ্ধি করবেন? | আত্মার পথ”। এখন কি মানুষকে এভাবে আলাদা করাটাই নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, “তোমার কম্পন কম, তাই আমি তোমার সাথে যোগাযোগ রাখব না”? “সে সেখানে চলে গেছে, আর আমি এখানে রয়ে গেলাম, সে দারুণ করেছে আর আমি ব্যর্থ — দেখা যাক, কে নিম্ন স্তরের আর কে উচ্চ স্তরের তা ভাগ করা যাক?”।
❗️ লি (lee)-এর উত্তর:
হ্যাঁ, আসলে ছোট একটি মাছির পেছনে ছুটতে গিয়ে আপনারা ঘরের ভেতরে থাকা বড় হাতিটাকেই খেয়াল করেননি।
ওয়েবিনারে আমি সরাসরি বলেছিলাম যে, আমরা সবাই উচ্চতর পর্যায় থেকে এসেছি এবং আমরা নিজেরাই নিজেদের জন্য জীবনের কাজগুলো তৈরি করি ও কম্পনের স্তর কমিয়ে আনি। এটি মানুষকে বিভক্ত করা নয় – এটি কেবল সেই কাজগুলো যা প্রত্যেকে নিজের মতো করে সমাধান করছে। এখানে নীতিগতভাবে কোনো অবনমন বা উচ্চতার স্থান নেই।
একজন ব্যক্তি এক মহাবিশ্বে তার কাজগুলো সমাধান করছেন এবং অন্যজন অন্য মহাবিশ্বে করছেন – এটিও একটি যৌক্তিক ফলাফল মাত্র।
যার কম্পন বা ফ্রিকোয়েন্সি কোনো নির্দিষ্ট স্থানে উচ্চতর, তিনি সামগ্রিক পরিস্থিতিটি অনেক বড় পরিসরে দেখতে পান। আর সেই একই তথ্য ভিন্ন ভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সির মানুষের কাছে একদম বিপরীত অর্থ বহন করতে পারে – এটিও কেবল ভিন্ন কম্পন মাত্রারই একটি স্বাভাবিক পরিণতি।
এটি কোনো অভিযোগ, সমালোচনা বা কাউকে আলাদা করা নয় – এটি স্রেফ একটি কারিগরি ফলাফল। আপনি প্রতিটি ধাপ বা ফ্রিকোয়েন্সির সীমা অতিক্রম করেন আপনার নেতিবাচক বিশ্বাসগুলোকে সমন্বিত করার মাধ্যমে – এটিও এক ধরণের “প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া”।
কেউ হয়তো ক্লিনিক্যাল ডেথ বা মৃত্যুসম অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়ে নিজের উপলব্ধির সীমা বাড়িয়ে একটি বড় চিত্র দেখতে পান – এটি কোনো বীরত্ব বা মহত্ত্ব নয়, এটি কেবল অভিজ্ঞতার একটি ধরণ।
যার সামগ্রিক অর্থ হলো – আমরা সবাই এক এবং আমাদের সকলের গঠনশৈলী একই রকম। এখানে উচ্চ বা নিচ বলে কিছু নেই – আছে কেবল ভিন্ন ভিন্ন খেলা এবং ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্য।




