শিশুরা নেহায়েত দৈবক্রমে আসে না।
❓ প্রশ্ন:
প্রিয় lee🌞, গর্ভপাতের বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখেন? আমি তৃতীয়বারের মতো অন্তঃসত্ত্বা হয়েছি। সম্ভবত আমাকে একাই সন্তানটিকে বড় করতে হবে। আমার আগের দুটি সন্তানও আছে। তবে আমি উপলব্ধি করেছি যে, এই অনাগত সন্তানকে কোনোভাবেই ছেড়ে দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
❗️ lee-র উত্তর:
আমি বিষয়টিকে এভাবে দেখি যে, মানুষের প্রতিটি সিদ্ধান্তই পবিত্র এবং সম্মানের দাবি রাখে। নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সাথে মানুষের কর্মকাণ্ডের কোনো সংঘাত নেই। ভালোবাসার কোনো পূর্বশর্ত থাকে না। ব্যাস, এটুকুই।
“একা বড় করতে হবে” কিংবা “আমি পেরে উঠব না”—এগুলো স্রেফ মনের দুশ্চিন্তা। আপনি যদি নিজের অস্তিত্বের সাথে একাত্ম থাকতে পারেন, তবে প্রয়োজনীয় সব সাহায্য-সহযোগিতা আপনার কাছে পৌঁছাবেই। আপনার মস্তিষ্ক বা যুক্তিবাদী মন এ বিষয়ে কিছুই জানে না, কারণ এটি তার কাজের আওতাভুক্ত নয়। আপনি যখন নিজেকে শর্তহীনভাবে ভালোবাসতে শিখবেন, তখন কোনো চেনা যুক্তি বা ধরাবাঁধা নিয়ম ছাড়াই আপনি এমন এক জীবন পাবেন যেখানে চারপাশ থেকে কেবল ভালোবাসাই আপনার দিকে ধেয়ে আসবে।
শিশুরা হুট করে আসে না কিংবা এমন কোনো পরিস্থিতিতে পড়ে না যা তারা “বেছে নেয়নি”। তারা খুব ভালো করেই জানে তাদের গন্তব্য কোথায় এবং তারা একটি সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়েই পৃথিবীতে পদার্পণ করে।




