চরম বিবর্তন: কেন প্রজ্ঞার পথ প্রায়শই সংকটের মধ্য দিয়ে যায়

লেখক: lee author

চরম বিবর্তন: কেন প্রজ্ঞার পথ প্রায়শই সংকটের মধ্য দিয়ে যায়-1

আত্মা যদি জ্যোতিই হয়, তবে মানুষ কেন অন্ধকারের পথে পা বাড়ায়?

❓ প্রশ্ন:

প্রতিটি আত্মা যে জ্যোতির অংশ, সেই উপলব্ধি আমাদের রয়েছে। তবে কোন তাড়না একজন ব্যক্তিত্বকে অন্ধকারের পথ বেছে নিতে প্ররোচিত করে? কেন জাদুটোনা বা বিভিন্ন তান্ত্রিক আচার-অনুষ্ঠানে লিপ্ত মানুষের সংখ্যা এত বেশি? আত্মা যদি পরম আলোই হয়, তবে কম্পন কমিয়ে কেন এই অন্ধকার পথে চলা? নাকি এটি দ্বৈততার কোনো খেলা?

❗️ লী-র উত্তর:

নেতিবাচক ধারায় চলা মানুষের সংখ্যা খুব বেশি বলে আমি মনে করি না। সভ্যতার সামগ্রিক বিকাশের জন্য ঠিক যতটুকু প্রয়োজন, তাদের সংখ্যা ঠিক ততটুকুই। জানেন তো, এটি অনেকটা নাট্যশাস্ত্রের মতো—নায়কের পথ যত কণ্টকাকীর্ণ হয়, পরিণামে তার রূপান্তর তত বেশি মহিমান্বিত হয়ে ওঠে। ঠিক এই কারণেই খলনায়ক বা প্রতিপক্ষের প্রয়োজন পড়ে।

নেতিবাচক ধারা বেছে নেওয়া মূলত উন্নয়নের একটি অত্যন্ত জটিল পথ বেছে নেওয়া, যেখানে কেবল সেই 'উন্নত আত্মারা'ই পা বাড়ায় যারা অন্ধকারে নিমজ্জিত হতে প্রস্তুত। তারা সচেতনভাবে এই পথ বেছে নেয় এবং জানে ঠিক কতটা ধকল তাদের সহ্য করতে হবে। এর পরিণাম হিসেবে তাদের আত্মিক বিকাশের গতি বহুগুণ বেড়ে যায়। কারণ, প্রতিটি জীবের প্রতি তারা যে ব্যথার উদ্রেক করে, পরবর্তী কোনো জীবনে বা জন্মচক্রের অন্তরালে কোনো না কোনোভাবে সেই ব্যথা তাদের নিজেদেরই গ্রহণ করতে হয়।

রৈখিকভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে, বুদ্ধ বা 'সন্তদের' পূর্ববর্তী জীবনগুলো ছিল মূলত এই নেতিবাচক ধারায় অবগাহন। সবার ক্ষেত্রে না হলেও অনেকের ক্ষেত্রেই এটি সত্য। সাধারণ মানুষ মনে করে এমন 'পবিত্রতা অর্জন' বোধহয় অনেকগুলো 'পুণ্যময়' জীবনের ফল; কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এর উল্টোটা ঘটে—নেতিবাচকতার অতল গহ্বরে দীর্ঘ যন্ত্রণার অভিজ্ঞতাই তাদের সেই অন্ধকারকে জয় করতে শেখায়। মেরুকরণের ঊর্ধ্বে আরোহণ করতে হলে চরম বৈপরীত্যের সবকটি দিক অনুভব করার বিশাল অভিজ্ঞতার প্রয়োজন।

58 দৃশ্য

উৎসসমূহ

  • Сайт автора lee

  • Как поднять вибрации? | Путь Души

আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।