২০২৬ সালের মে মাসে, লোকালয়ে ভালুকের আক্রমণের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় জাপানে গ্রামাঞ্চল রক্ষায় রোবট-নেকড়ে মোতায়েন করার একটি বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়।
এই প্রযুক্তিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা যন্ত্রগুলোকে নেকড়ে পালের আচরণ অনুকরণ করতে সাহায্য করে এবং কোনো প্রকার শক্তি প্রয়োগ ছাড়াই বন্যপ্রাণীদের দূরে সরিয়ে দেয়।
এই উদ্যোগের প্রেক্ষাপট মূলত পূর্ববর্তী বছরগুলোতে নিহিত, যখন বেড়া দেওয়া বা বিকট শব্দের মতো প্রচলিত পদ্ধতিগুলো মানুষের উপস্থিতিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়া ভালুকদের ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছিল।
প্রকল্পটির অগ্রগতি একটি অভাবনীয় ফলাফল দেখিয়েছে: এই রোবটগুলো কেবল সংঘাতই কমায়নি, বরং বিল্ট-ইন সেন্সরের মাধ্যমে প্রাণীদের স্থানান্তরের গতিবিধি পর্যবেক্ষণেও সহায়তা করেছে।
কর্তৃপক্ষের মূল উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশবান্ধব সমাধান খুঁজে বের করা যাতে প্রাণীদের গুলি করে মারার প্রয়োজন না হয়; তবে এটি একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদীদের প্রশংসা কুড়িয়েছে, অন্যদিকে প্রচলিত পদ্ধতির সমর্থকদের সমালোচনার মুখেও পড়েছে।
বর্তমান সময়ে পেছনের দিকে তাকালে দেখা যায় যে, এই উদ্যোগটি বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনায় নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, যদিও ভালুকদের আচরণের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে কিছু প্রশ্ন রয়ে গেছে।



