আমি যত বেশি চাই, তত কম সফল হই
❓প্রশ্ন:
আমি বুঝতে চাই, কেন কিছু ইচ্ছা, যেমন মাতৃত্বের বিষয়টি অবাস্তব মনে হলেও, আমি শুধু চেয়েছিলাম, কিন্তু বিশেষ কিছু করিনি, কোনো চাপ অনুভব করিনি, অথচ তা বারবার পূরণ হচ্ছে, কিন্তু টাকার বিষয়টি—আমি অনুভব করি, কল্পনা করি, অনুভব করার চেষ্টা করি—তবুও কিছুতেই তা ধরা দিচ্ছে না ))))—এর রহস্য কী)? আমি আমার চারপাশে এখন অনেক ইচ্ছাকেই বাস্তবায়িত হতে দেখছি, কিন্তু ঠিক সেগুলোই, যেগুলোর জন্য আমি কষ্ট করিনি বা বিশেষভাবে কোনো পরিকল্পনা করিনি)।
❗️লি (lee)-এর উত্তর:
কারণ তুমি ততটা তীব্রভাবে «কষ্ট করোনি», যতটা «তীব্রভাবে চেয়েছিলে কিন্তু কষ্ট পেয়েছিলে»।
সামগ্রিকভাবে এটি «ছেড়ে দেওয়া» বা «মুঠো আলগা করা»-র বিষয়।
এমন দুজন মানুষের কথা কল্পনা করো যাদের একটি বোতাম সেলাই করতে হবে—একজন মুঠো পাকানো, অন্যজন শিথিল হাতের তালু নিয়ে।
আর যে মুঠো পাকিয়ে আছে, সে অবাক হচ্ছে যে সে, এমন একজন শক্তিশালী যোদ্ধা যাকে দেখলেই শত্রুরা পালিয়ে যায়, সে কেন একটি বোতাম সেলাই করতে পারছে না। আর অন্যজন—দুর্বল, কিন্তু শিথিল—সে সুঁই তুলে নিয়ে সেলাই করে ফেলছে।
বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তরঙ্গের নীতিটি মাথায় রাখা প্রয়োজন—যাতে এটি তীরে পৌঁছাতে পারে, জলকে তীর থেকে সরে গিয়ে একত্রিত হতে হয়। যদি তুমি «জলকে তীরে আটকে রাখো», তবে তা নতুন তরঙ্গে পরিণত হতে পারে না।
যদি মাথায় এই সংজ্ঞাটি ধরে রাখো যে «আমি সেই ব্যক্তি যার টাকা প্রয়োজন», তবে «প্রয়োজন» গুণটি নিজেই সক্রিয় হয়ে উঠবে। এমনকি যখন গতকালের চেয়ে অনেক বেশি টাকা আসবে, তখনও এটি বাস্তবায়িত হতে থাকবে।
তুমি ঠিক সেই ইচ্ছাগুলোকেই «চিনতে পারছ» যেগুলো বাস্তবায়িত হয়েছে, কারণ তুমি সেগুলোর ওপর আর জোর দিচ্ছ না।
দেখো, পার্থক্যটা কোথায়।
«আমি চাই» - «আমি অনুভব করি» - ... আর এখানে «আমি জোর করছি» নয়, বরং—«আমি সব নতুন ঘটনাকে তাদের নিজস্ব গতিতে চলতে দিচ্ছি, ফলাফলের ওপর আস্থা রেখে»। যা কিছু ঘটছে, তাকে ব্যর্থতা হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ না করে, বরং তাকে এই অর্থ দেওয়া হচ্ছে—«এটিই সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত পথ»।
এই সূক্ষ্ম বিষয়টি হলো—পুরো যাত্রাপথে আস্থাশীল থাকা।




