❓প্রশ্ন:
যথেষ্ট ভরসম্পন্ন যেকোনো বস্তুর অভিকর্ষজ বল তাকে একটি গোলাকার রূপ দান করে, তবে এই একই নীতি কি শক্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য? মানুষের উচ্চতর সত্তাগুলোতে যখন বিপুল পরিমাণ শক্তি থাকে, তখন কি চেতনার রূপটি গোলকাকারে রূপান্তরিত হয়? বিবর্তিত হয়ে মানুষ কি শেষ পর্যন্ত একটি গোলাকার পিণ্ডের রূপ ধারণ করবে?
❗️lee-এর উত্তর:
আপনার প্রশ্নটি কি এমনটি ধরে নেয় যে বিবর্তন একটি সমতল ক্ষেত্র বা একটি রেখাংশ থেকে শুরু হয়? নাকি এটি কোনো 'বিশৃঙ্খল ধোঁয়াশা' থেকে যাত্রা শুরু করে?
আমরা কোথায় যাচ্ছি তা নিয়ে আলোচনা করার আগে সম্ভবত এটি জানা প্রয়োজন যে আমাদের আদি উৎস কোথায়?
মহাকর্ষ বা অভিকর্ষ হলো একটি ফলাফল মাত্র, কোনো মৌলিক কারণ নয়।
গোলাকার আকৃতি হলো মূলত ত্রিমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লব্ধ একটি রূপ। চার, পাঁচ বা ততোধিক মাত্রার জগতে 'গোলক' নিয়ে আলোচনা করা কঠিন, যা স্পষ্টতই ইঙ্গিত দেয় যে বিবর্তন কেবলমাত্র ত্রিমাত্রিকতার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়।
চরম ক্ষেত্রে, আপনার এই যুক্তিগুলো 'সমতল পৃথিবী' তত্ত্বে বিশ্বাসীদের সামনে তুলে ধরা যেতে পারে যাতে তারা 'সমতল' (বৃত্ত) এবং 'ঘনবস্তু' (গোলক) ধারণার বাইরেও একটু বিস্তৃতভাবে চিন্তা করতে পারে। সেখানে মহাকর্ষের বিষয়টি সবকিছু নিখুঁতভাবে বুঝিয়ে দেয় এবং সমতল পৃথিবীর ধারণাকে সরাসরি নাকচ করে দেয়।




