বিজ্ঞানের পরবর্তী পদক্ষেপসমূহ।
❓ প্রশ্ন:
লি (Lee), পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে কিছু বলুন। আমরা যদি ধরি যে 'ডার্ক ম্যাটার' বা 'কৃষ্ণগহ্বর' আমাদের কাছে 'দৃশ্যমান' কারণ আমরা জানি যে তাদের অস্তিত্ব আছে, এবং 'অদৃশ্য' বলতে আমাদের চিন্তা, অনুভূতি বা সরাসরি উপলব্ধির বাইরের বিষয়গুলোকে বুঝি, তবে পদার্থবিজ্ঞান কি কখনো এই বিষয়ে কোনো তত্ত্ব প্রদান করতে পারবে? উদাহরণস্বরূপ, এটি কি প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের পর্যায়ে অনুভূতি নিয়ে কথা বলা শুরু করতে পারে?
❗️ লি-র উত্তর:
একটু দাঁড়ান! পদার্থবিজ্ঞান তাদের পরিচিত 'সূত্রগুলোর' মধ্যে ব্যাখ্যাতীত 'বিচ্যুতিগুলোকে' 'কৃষ্ণগহ্বর' বা 'ডার্ক এনার্জি'র মতো শব্দ দিয়ে চিহ্নিত করে। অজানা কোনো কিছুকে পরিচিত শব্দ (যেমন 'কালো', 'গর্ত'...) দিয়ে নাম দেওয়া আর সেই ঘটনার প্রকৃত সারমর্ম বোঝা—এই দুইয়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে।
বর্তমানে মনোবিজ্ঞান এবং কগনিটিভ ফাংশন নিয়ে কাজ করা অন্যান্য বিজ্ঞানগুলোও অনেকটা একইভাবে কাজ করছে।
তবে নিকট ভবিষ্যতে (এই প্রজন্মের মধ্যেই) পদার্থবিজ্ঞান এই 'বিশেষ বিচ্যুতিগুলো' বুঝতে শুরু করবে, কারণ পদার্থবিজ্ঞানের পরিভাষা ও মূল ভিত্তিগুলো পুনরায় লেখা হবে—এটি একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে এবং ভিন্ন ভাষায় এই সব 'গহ্বর' ও 'শক্তির' ব্যাখ্যা দেবে।
মনোবিজ্ঞান এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও ঠিক এমনটিই ঘটবে—চিন্তা ও চেতনার সংজ্ঞার সঠিক ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে। অনুভূতি এবং আবেগগুলো তখন সম্পূর্ণ ব্যাখ্যাযোগ্য হয়ে উঠবে এবং পদার্থবিজ্ঞানের সকল সূত্রের সাথে পুরোপুরি মিলে যাবে। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া—নতুন সভ্যতার বিজ্ঞানের বিকাশে যা পরবর্তী ধাপ।
অর্থাৎ বিজ্ঞান তখন ভুল বর্ণমালা দিয়ে 'সুখ' শব্দ তৈরির নিরর্থক চেষ্টা বন্ধ করবে। এর জন্য তারা নতুন ধরনের বর্ণমালা ব্যবহার শুরু করবে।




