"যা দেবে, তা-ই পাবে": এই আইনকে কেউ বা কিছুই এড়াতে পারে না

লেখক: lee author

"যা দেবে, তা-ই পাবে": এই আইনকে কেউ বা কিছুই এড়াতে পারে না-1
বাস্তবতা সাম্যতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, ন্যায্যতার ওপর নয়।

❓প্রশ্ন:
যদি ন্যায়বিচার না থাকে, তাহলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ফ্যাসিস্টদের পরাজিত করা হয়েছিল, তাদের দেশের অর্ধেক ধ্বংস করা হয়েছিল, জনগণের সাথে শিক্ষামূলক কাজ করা হয়েছিল, ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছিল, অর্থ প্রদান এবং ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছিল, এবং এখন এটি একটি সভ্য সমৃদ্ধ দেশ। কিন্তু এখন এটি অন্য দিক থেকে বেরিয়ে এসেছে। ফলাফল একই হওয়ার সম্ভাবনা কত?
❗️lee-এর উত্তর:
এটি 'ফলাফল' নয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল 'প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নেব' এই ধারণা থেকে, এবং প্রথমটি শুরু হয়েছিল '1870-1871 সালের যুদ্ধে পরাজয়ের শোধ নেব' হিসেবে, যা ছিল... সংক্ষেপে, তাদের প্রতিটি বাহ্যিক 'ন্যায়বিচার' দ্বারা সমর্থিত ছিল।
সুতরাং প্রতিটি যুদ্ধ 'ন্যায়বিচার' নিয়ে কারসাজির চেয়ে বেশি কিছু নয়। আপনি যদি এই খেলাগুলি খেলেন, তবে আপনি কারসাজি এবং যুদ্ধের ভিতরে থাকতে বাধ্য।
বাস্তবতা ভারসাম্যের উপর নির্মিত, ন্যায়বিচারের উপর নয়। যা কেবল মাত্রার ক্রমে উচ্চতর নয়, কারও মূল্যায়নের প্রয়োজনও নেই। সবকিছু অস্তিত্বের মৌলিক আইন 'যা দেবে, তা-ই পাবে'-এর উপর নির্ভর করে। কেউ বা কিছুই এই আইনকে এড়াতে পারে না, কারণ এটি বাস্তবতার কাঠামো, কারও মতামত নয়। প্রতিফলনের কাঠামো। এটিই সবকিছু এবং সমস্ত ভৌত আইন গঠন করে।

"যা দেবে, তা-ই পাবে": এই আইনকে কেউ বা কিছুই এড়াতে পারে না-1
189 দৃশ্য

উৎসসমূহ

  • Сайт автора lee

মন্তব্য

এই বিষয়ে আরও নিবন্ধ পড়ুন:

BUCKET LIST Egypt Luxor An Egyptian–Chinese team has uncovered a previously unknown “sacred lake” in the Montu Temple precinct at Karnak, revealing a new ritual water basin hidden in one of Egypt’s most studied temple complexes. 🌊🏺 Covering over 50 square meters west of the

Image
Reply
আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।