মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড আর্কটিকে নিরাপত্তা চুক্তিতে পৌঁছেছে

সম্পাদনা করেছেন: Svitlana Velhush

শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আর্কটিক অঞ্চলে প্রতিরক্ষা ও বিনিয়োগের বিষয়ে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

এক বিবৃতি অনুসারে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপটিতে সামরিক উপস্থিতি বিস্তারের সুযোগ পাবে, যার মধ্যে ঘাঁটির স্থায়ী অধিকার, প্রবেশাধিকার ও উড্ডয়নপথ অন্তর্ভুক্ত।

চুক্তিটি ন্যাটোর সদস্য নয় এমন দেশগুলোর গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি বা সেনা মোতায়েন নিষিদ্ধ করে এবং সংবেদনশীল খাতে বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা চালু করে।

ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, চুক্তিটি অনির্দিষ্টকালের এবং এটি গ্রিনল্যান্ডে «নিরাপত্তা ও অন্যান্য সব প্রয়োজনীয়তার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ» নিশ্চিত করে।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ও গ্রিনল্যান্ডের নেতা নিশ্চিত করেছেন, এই দলিল আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিকে সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করবে, একই সঙ্গে ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব এবং গ্রিনল্যান্ডবাসীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার সম্পূর্ণভাবে অক্ষুণ্ন রাখবে।

নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে আগামী সপ্তাহে এই চুক্তি সই করার কথা রয়েছে।

গ্রিনল্যান্ড কেনার ইচ্ছার কথা ট্রাম্পের পূর্ববর্তী মন্তব্যের পর এই চুক্তি আলোচনার ফলাফল, তবে শেষ পর্যন্ত এতে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তরের কোনো বিধান নেই।

পক্ষগুলো উল্লেখ করে, এই চুক্তি ন্যাটো মিত্রদের রাশিয়া ও চীনের এই অঞ্চলে শক্তিশালী হওয়ার প্রচেষ্টা আরও কার্যকরভাবে মোকাবিলার সুযোগ দেবে, একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণের বিদ্যমান অধিকার ক্ষুণ্ন করবে না।

দীর্ঘমেয়াদে এই পদক্ষেপ আর্কটিকের শক্তিসাম্যের ওপর কী প্রভাব ফেলবে?

চুক্তির বিস্তারিত এখনো পুরোপুরি প্রকাশিত হয়নি, তবে ইতিমধ্যেই স্পষ্ট যে এটি গ্রিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষা নিয়ে 1951 সালের চুক্তিকে প্রতিস্থাপন বা সম্পূরক করবে।

5 দৃশ্য

উৎসসমূহ

  • Trump and leaders of Denmark and Greenland announce plan to sign Arctic security pact next week

মন্তব্য

আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।