ভারতীয় মহাকাশ শিল্প কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বেসরকারি কোম্পানিগুলো ধীরে ধীরে রকেট উৎপাদন ও উৎক্ষেপণের দায়িত্ব নিচ্ছে, আর ISRO আরও উচ্চাভিলাষী প্রকল্পে মনোযোগ সরিয়ে নিচ্ছে।
Economic Times-এর তথ্য অনুযায়ী, ISRO ভারতীয় মহাকাশ স্টেশন, শুক্র গ্রহে অভিযান, Gaganyaan, Chandrayaan-4 এবং পরবর্তী প্রজন্মের Vikram রকেট উন্নয়নের মতো মিশনে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে চায়।
গত বছর SpaceX 170টি উৎক্ষেপণ করেছিল, অথচ ISRO করেছিল মাত্র পাঁচটি। পর্যাপ্ত রকেট ছাড়া ভারত বৈশ্বিক বাজারে পেলোডের জন্য প্রতিযোগিতা করতে পারবে না।
আর্থিক বছর 2027-এ মহাকাশ বিভাগের বাজেট ₹13 705,63 কোটি — যা প্রায় 1,65 বিলিয়ন ডলার। ISRO-র কাছ থেকে রকেট বা উপগ্রহের ধারাবাহিক উৎপাদন হঠাৎ বাড়ানোর আশা করা অবাস্তব।
Larsen & Toubro এবং Hindustan Aeronautics Ltd-এর কনসোর্টিয়াম ইতিমধ্যে পাঁচটি PSLV-XL রকেটের সম্পূর্ণ উৎপাদনের চুক্তি পেয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ হলো ভারী রকেট LVM3-এর প্রযুক্তি বেসরকারি কোম্পানিগুলোর কাছে হস্তান্তর, সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছে L&T এবং Adani Group।
এতে স্কেলের সুফল মিলবে এবং উৎক্ষেপণের খরচ কমবে, যাতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ বাজারে SpaceX-এর সঙ্গে ভালোভাবে প্রতিযোগিতা করা যায়।
বেসরকারি খাত রকেট ও উপগ্রহ উৎপাদনের নিত্যদিনের কাজ নিজে নেবে, আর ISRO যুগান্তকারী প্রকল্পের জন্য বেশি সম্পদ পাবে। আগামী বছরগুলোতে ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির গতিতে এটি কী প্রভাব ফেলবে?
সরকার ইতিমধ্যে বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য খাতটি উন্মুক্ত করেছে, এবং প্রথম ফলাফল — SSLV-এর প্রযুক্তি হস্তান্তর ও LVM3-এর পরিকল্পনা — দেখাচ্ছে যে প্রক্রিয়াটি এগিয়ে চলছে।

