মঙ্গলবার, 15 সেপ্টেম্বর 2026 সালে, ব্রাজিল VS-30 V16 সাবঅরবিটাল রকেট উৎক্ষেপণ করেছে PSM-R প্ল্যাটফর্ম সহ — একটি সাবঅরবিটাল মাইক্রোগ্রাভিটি প্ল্যাটফর্ম, যাকে 'মহাকাশ গবেষণাগার' বলা হয়।
উৎক্ষেপণটি পারনামিরিমের রিও গ্রান্দে দো নর্তে রাজ্যে অবস্থিত ব্যারেইরা দো ইনফেরনো উৎক্ষেপণ কেন্দ্র (CLBI) থেকে পরিচালিত হয়। এটি দক্ষিণ আমেরিকার প্রাচীনতম মহাকাশ ও বিমানচালনা কেন্দ্র।
রকেটটির 100 কিলোমিটারের বেশি উচ্চতায় পৌঁছানোর কথা ছিল, যাতে মাইক্রোগ্রাভিটি অবস্থায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো যায়। প্রায় 401 কিলোগ্রাম ওজনের প্ল্যাটফর্মটিতে জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান এবং নতুন উপকরণ গবেষণার মডিউল ছিল।
মিশনের মূল উপাদান হলো প্রত্যাবর্তন ব্যবস্থা: উড়ানের পর PSM-R প্যারাশুটে অবতরণ করে, যাতে বিজ্ঞানীরা নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে এনে বিশ্লেষণ করতে পারেন। এটি জাতীয় প্ল্যাটফর্মের প্রথম এ ধরনের পরীক্ষা।
উৎক্ষেপণটি ব্রাজিলীয় মহাকাশ সংস্থা (AEB), অ্যারোনটিক্স ও মহাকাশ ইনস্টিটিউট (IAE) এবং বিমান বাহিনীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত 'পোতিগুয়ার-2' অভিযানের প্রধান অংশ ছিল।
প্ল্যাটফর্মটি ভবিষ্যতের সাবঅরবিটাল মিশনের জন্য একটি জাতীয় মডিউল হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা সুরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রণ করে, যার মধ্যে অণুজীব ও ইলেকট্রনিক উপাদানের পরীক্ষাও রয়েছে।
পরীক্ষার সফলতা ব্রাজিলকে বিদেশি অংশীদারদের উপর নির্ভরতা ছাড়াই মাইক্রোগ্রাভিটিতে আরও স্বাধীন গবেষণা পরিচালনার সুযোগ দেবে। এটি জাতীয় মহাকাশ কর্মসূচির উন্নয়নে কী প্রভাব ফেলবে?
এর আগে 2024 সালে অভিযানের প্রথম পর্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে উৎক্ষেপণ পদ্ধতি পরীক্ষা করা হয়েছিল। এখন মূল জোর বাস্তব উড়ান ও পণ্য প্রত্যাবর্তনের উপর।


