❓প্রশ্ন:
মৃত্যু ও জীবন সম্পর্কে বোঝার প্রসঙ্গে আপনি বলেছিলেন, «যখন শরীর আপনার শক্তিগুলোর ধারণক্ষমতার সীমায় পৌঁছে যায়, তখন তা আর শারীরিক অখণ্ডতা বজায় রাখতে পারে না»।
শক্তির ধারণক্ষমতা — এটা কী? এই «ধারণক্ষমতা» কিসের উপর নির্ভর করে? বয়সের উপর নির্ভর করে কি? কেন প্রাণবন্ত তরুণরা 20 বছর বয়সে শরীর ছেড়ে চলে যায়, আর বিষণ্ণ বৃদ্ধরা 80 বছর বয়সেও বেঁচে থাকে?
❗️উত্তর lee:
বয়স একটি মায়া। «ধারণক্ষমতা»-র বিষয়টি হলো নিজেকে নিজের মতো হতে দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়।
যখন নিষেধের মাত্রা সেই সীমা ছাড়িয়ে যায় যা «নিজেকে প্রকাশ করতে চায়», তখন শরীরে থাকার কোনো অর্থই আর থাকে না। যুক্তিটা বুঝতে পারছেন?
জীবন তো মায়াময়। আত্মার কিছুই যায় আসে না কতবার সে দেহ ধারণ করবে আর ঠিক কোথায়। তার কিছুই যায় আসে না কতদিন বাঁচবে — 1 দিন বা 1 মিলিয়ন বছর। কেবল একটি বিষয়ই তাৎপর্যপূর্ণ — «আমি নিজেকে প্রকাশ করছি, নাকি আমি নিজেকে সংযত করছি»। সমস্ত শক্তি ন্যূনতম প্রতিরোধের পথে প্রবাহিত হয় — এটাই সর্বদা ঘটে এবং সবকিছুর ক্ষেত্রেই ঘটে।



