২০২৬ সালের ১৫ মে সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফ হাভানা সফরে আসেন এবং কিউবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে একটি বৈঠকে মিলিত হন। যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর জ্বালানি অবরোধ এবং ভেনেজুয়েলা থেকে তেল আসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশটিতে যখন চরম বিদ্যুৎ সংকট চলছে, ঠিক সেই সময়েই এই সফর অনুষ্ঠিত হলো।
জ্বালানির ব্যাপক ঘাটতির ফলে হাভানায় বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ২২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান কিউবা কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেন। সেখানে ওয়াশিংটন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা শুরু করার আগ্রহ দেখালেও একটি কঠিন শর্ত আরোপ করেছে—আর তা হলো কিউবার অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় ‘আমূল পরিবর্তন’ আনতে হবে।
তবে স্থানীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো মেরামতের জন্য কোনো কারিগরি সহায়তার প্রস্তাব দেয়নি মার্কিন পক্ষ। আলোচনার এক পর্যায়ে কিউবার কর্মকর্তারা প্রমাণ উপস্থাপন করেন যে দ্বীপরাষ্ট্রটি মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কোনো হুমকি নয় এবং তারা কিউবাকে সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা রাষ্ট্রের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান।
পাশাপাশি হাভানা জোর দিয়ে বলেছে যে, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সংকট কাটাতে বিকল্প জ্বালানি সরবরাহকারী খুঁজে পাওয়া বর্তমানে অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।



