গোপন অভিযান: চীনকে এড়িয়ে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের গোপনে আফ্রিকা সফর

সম্পাদনা করেছেন: Aleksandr Lytviak

২০২৬ সালের ১৪ মে বিশ্ব এক সাহসী কূটনৈতিক অভিযানের খবর জানতে পারে: চীনের সাথে সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে আফ্রিকা সফর করেছেন (প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে ২০২৬ সালের ২ মে এসওয়াতিনিতে পৌঁছান)। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আয়োজিত এই অভিযান আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনাকে আরও স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

এই ঘটনার প্রেক্ষাপট তাইওয়ান ও গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধের মধ্যে নিহিত রয়েছে। বেইজিং সব সময় আফ্রিকার দেশগুলোর কাছে 'এক চীন' নীতির স্বীকৃতি দাবি করে থাকে, যার ফলে তাইপেইয়ের সাথে যেকোনো ধরনের যোগাযোগ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে অংশীদারিত্বের বৈচিত্র্য বজায় রাখতে আগ্রহী মহাদেশটির কয়েকটি দেশ গোপনে এই সহযোগিতায় সাড়া দিয়েছে।

এই অভিযানের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর তথ্যানুযায়ী, প্রেসিডেন্ট একটি ছদ্মনাম ব্যবহার করে সাধারণ বেসামরিক বিমানে তাইপেই থেকে রওনা হন এবং পথিমধ্যে তৃতীয় কোনো দেশে যাত্রাবিরতি করেন। স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং এবং কূটনৈতিক প্রতিবাদ এড়াতে পুরো রুটটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সাজানো হয়েছিল।

চীন ইতিমধ্যে এই সফরকে 'উস্কানিমূলক' আখ্যা দিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে, তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানানো আফ্রিকার নেতারা রাজনৈতিক শর্তহীন অর্থনৈতিক সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। এটি বিশ্ব কূটনীতিতে এক নতুন নজির সৃষ্টি করছে।

এ ধরনের যোগাযোগের ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত: হয় নিষেধাজ্ঞার মাত্রা বৃদ্ধি পাবে, অথবা তাইওয়ানকে একজন স্বতন্ত্র খেলোয়াড় হিসেবে ধীরে ধীরে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। তবে মে মাসের এই ঘটনাটি যে অপ্রচলিত কূটনীতির উদাহরণ হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নেবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

6 দৃশ্য

উৎসসমূহ

  • Inside the Secret Mission to Fly Taiwan’s President to Africa

আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।