«পুষিস্ত স্পেসনাজ»: চিনাদের বিমানবন্দর ইঁদুর তাড়াতে পরিবারসহ আশ্রয় দিল ছয়টি বিড়ালকে

লেখক: Tatyana Hurynovich

«পুষিস্ত স্পেসনাজ»: চিনাদের বিমানবন্দর ইঁদুর তাড়াতে পরিবারসহ আশ্রয় দিল ছয়টি বিড়ালকে-1

চীনের একটি আঞ্চলিক বিমানবন্দর, গানসু প্রদেশের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত লানঝৌ চুংচুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (Lanzhou Zhongchuan International Airport) ইঁদুর-জাতীয় প্রাণী নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি মানবিক ও অপ্রচলিত পদ্ধতি অবলম্বন করেছে, আশ্রয় দিয়েছে একদল প্রাক্তন পথবিড়ালকে। এখন এই লোমশ ‘কর্মচারীরা’ কেবল টার্মিনালের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করছে না, বরং স্থানীয় সেলিব্রেটিতে পরিণত হয়েছে, যা ভ্রমণকারীদের মন ভালো করে দিচ্ছে।

«পুষিস্ত স্পেসনাজ»: চিনাদের বিমানবন্দর ইঁদুর তাড়াতে পরিবারসহ আশ্রয় দিল ছয়টি বিড়ালকে-1

অফিসিয়াল দায়িত্ব ও কাজের সময়সূচী। তাদের অলিখিত ‘চাকরির চুক্তি’ অনুসারে, বিড়ালরা খুব সকালে, যখন যাত্রী কম থাকে, তখন সার্ভিস এবং আংশিকভাবে যাত্রীদের এলাকা টহল দেয়। ইঁদুরের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে তাদের প্রাকৃতিক প্রবৃত্তি অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে — বিড়ালরা কনভেয়ার বেল্ট, ক্যান্টিনের রান্নাঘর এবং গুদামঘর পরীক্ষা করে, যা একটি এভিয়েশন হাবে কঠোর স্যানিটারি মান বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও, এই প্রাণীরা সম্পূর্ণভাবে সামাজিকীকৃত: তারা কোলাহলে শান্ত থাকে এবং যাত্রীদের সাথে মিশতে ভালোবাসে, ফ্লাইটের অপেক্ষায় থাকাকালীন তাদের আদর করার সুযোগ দেয়।

আদর্শ কাজের পরিবেশ। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের নতুন কর্মচারীদের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে। বিড়ালদের বিশ্রামের জন্য কাঁচের দেওয়াল সহ একটি বিশেষ স্বচ্ছ ‘অফিস’ তৈরি করা হয়েছে। এটি প্রাণীদের টার্মিনালে কী ঘটছে তা দেখার সুযোগ দেয়, নিরাপদে থাকে এবং কাজের প্রক্রিয়াগুলিতে কোনও ব্যাঘাত ঘটায় না।

তাদের ব্যক্তিগত জায়গায় একটি ভেন্টিলেশন সিস্টেম রয়েছে যা তাজা বাতাস বজায় রাখে, এছাড়াও নরম বিছানা, বিভিন্ন খেলনা এবং স্ক্র্যাচিং পোস্ট রয়েছে। উপরন্তু, ‘লোমশ দলের’ সকল সদস্য বিমানবন্দরের খরচে সুষম খাবার পায়।

পরিবেশবান্ধব এবং লাভজনক। ডেসীরাইজেশনের জন্য বিড়ালদের এই ধরনের ব্যবহার এশিয়া এবং ইউরোপের বিমানবন্দরগুলিতে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এটি রাসায়নিক বিষ এবং ফাঁদগুলির একটি পরিবেশবান্ধব বিকল্প, যা যাত্রী এবং কর্মীদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ।

তাছাড়া, বন্ধুত্বপূর্ণ প্রাণীদের উপস্থিতি ভ্রমণকারীদের মানসিক চাপ কমায়। যাত্রীরা নিয়মিতভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘লোমশ টহল’ এর ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করেন, যা বিমানবন্দরের একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করে এবং গ্রাহকের আনুগত্য বাড়ায়। বছরের শুরুতে বিড়ালদের আগমনের পর থেকে বিমানবন্দরে ইঁদুরের উপদ্রবের কোনও ঘটনা ঘটেনি।

15 দৃশ্য

উৎসসমূহ

  • В интернете распространилась информация о «службе по отлову крыс» в аэропорту Ланьчжоу; официальный ответ: бездомные кошки принадлежат к семье из трех особей и находятся под опекой специально обученного персонала.

আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।