মার্কিন অর্থনীতি গত দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে। তৃতীয় প্রান্তিকে বার্ষিক ভিত্তিতে জিডিপি 4,3% বৃদ্ধি পেয়েছে।
এটি আগের প্রান্তিকের 3,8% হারের চেয়ে বেশি। এই প্রবৃদ্ধি বিশ্লেষকদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে, যারা প্রায় 3,2% প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।
ভোক্তা ব্যয় এই প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে। আগের প্রান্তিকের 2,5% হারের বিপরীতে বার্ষিক ভিত্তিতে এটি 3,5% বৃদ্ধি পেয়েছে।
শ্রমবাজারের ধীরগতি সত্ত্বেও পরিবারগুলো স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যয়ের পরিমাণ বাড়িয়েছে। রপ্তানিও ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং 7,4% বৃদ্ধি পেয়েছে।
সরকারের কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত থাকার কারণে প্রবৃদ্ধির এই প্রতিবেদনটি দেরিতে প্রকাশিত হয়েছে। বাণিজ্য ও অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন, অব্যাহত মুদ্রাস্ফীতি এবং সরকারি ব্যয় হ্রাসের মধ্যেও অর্থনীতি স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছে।
নতুন শুল্কের প্রভাবে আমদানি হ্রাস অব্যাহত ছিল। এটি যান্ত্রিকভাবে জিডিপি-র সূচককে ত্বরান্বিত করেছে।
এতসব প্রতিকূলতার মধ্যেও মার্কিন অর্থনীতির এই স্থিতিশীলতার পেছনে কী কারণ রয়েছে?
বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে, মৌলিক সূচকগুলো একটি শক্তিশালী সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কর ছাড় এবং Fed-এর সুদের হার হ্রাসের কথা বিবেচনা করলে 2026 সালের জন্য অর্থনীতি বেশ সুপ্রস্তুত বলে মনে হচ্ছে।
তবে কিছু বিশ্লেষক সতর্ক করেছেন যে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর বাজেটের ওপর চাপ ভবিষ্যতে প্রবৃদ্ধির এই উচ্চ হার বজায় রাখা কঠিন করে তুলতে পারে।


