আজ বেইজিংয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের আলোচনার শেষে এশীয় শেয়ার বাজারগুলোতে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে।
জাপানের নিক্কেই 225 সূচক 0.8 শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি 0.4 শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও চীনের সিএসআই 300 এবং হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক যথাক্রমে 0.6 এবং 0.9 শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির শীর্ষ নেতাদের এই বৈঠকটি 12 মে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এটি মূলত বাণিজ্য শুল্ক এবং বিরল খনিজ ধাতু সরবরাহের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিল, যদিও মূল বিষয়গুলোতে কোনো নির্দিষ্ট চুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
ইরানকে কেন্দ্র করে বিরাজমান উত্তেজনা বিনিয়োগকারীদের মাঝে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে; ব্যারেল প্রতি তেলের দাম 78 ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি এবং এশিয়ায় তেলের চাহিদা হ্রাসের আশঙ্কা বাড়ছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, এই দৃশ্যমান অনিশ্চয়তার অন্তরালে সরবরাহ শৃঙ্খলের ওপর নিয়ন্ত্রণ লাভের এক গভীর লড়াই লুকিয়ে রয়েছে, যেখানে চীন তার প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে চাইছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তা সীমিত করতে চাচ্ছে।
আগামী সপ্তাহগুলোতে বাজার সংশ্লিষ্টরা ওয়াশিংটন এবং বেইজিং থেকে আসা যেকোনো সংকেতের দিকে নিবিড়ভাবে নজর রাখবেন, কারণ বাণিজ্য নীতিতে সামান্য পরিবর্তনও আঞ্চলিক সূচকগুলোর গতিপথ দ্রুত বদলে দিতে পারে।



