এমন এক কাহিনি যা কোনো রোমান্টিক কমেডি সিনেমার চিত্রনাট্যকারকে দর্শকদের বিশ্বাস করানোর জন্য কিছুটা কমিয়ে আনতে হতো।
26 বছর বয়সী বেলজিয়ান ক্লেমঁ ভানদেনকেরখোভ স্কুল শেষ করার পর সাধারণ গাড়ির বিক্রেতা হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু তার জীবনবৃত্তান্তে একটি ছোট 'কিন্তু' ছিল: তার বাবা আসলে একজন সত্যিকারের রাজপুত্র।
ক্লেমঁর মা—বেলজিয়ান গায়িকা এবং প্রাক্তন মডেল ওয়েন্ডি ভ্যান ভ্যান্টেন —তার ছেলেকে 16 বছর বয়সেই জানিয়েছিলেন যে, তার জৈবিক বাবা হলেন— প্রিন্স লরেন্ট, বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপের ছোট ভাই।
কয়েক বছর পর ক্লেমঁ লরেন্টের সাথে যোগাযোগ করেন এবং শেষ পর্যন্ত তারা দুজনে ডিএনএ পরীক্ষা করান। ফলাফল— 99,5%টি মিল।
এরপর এই গল্পের একটি আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে: প্রিন্স লরেন্ট আইনগতভাবে ক্লেমঁকে নিজের ছেলে হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং তিনি বেলজিয়ামের রাজপরিবারের সদস্য হন।
এখন ক্লেমঁ রাজকীয় উপাধি এবং বাবার ব্যক্তিগত সম্পত্তির উত্তরাধিকার পাওয়ার অধিকারী। তবে, তিনি রাজকীয় কোনো ভাতা পাবেন না, কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্বও পালন করবেন না এবং সিংহাসনের উত্তরাধিকারের তালিকায়ও তার নাম নেই।
ক্লেমঁ নিজেই বলেন যে, টাকা বা পদমর্যাদা তার কাছে মুখ্য নয়। তার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো অবশেষে নিজের বাবাকে ভালোভাবে জানার সুযোগ পাওয়া।
তবে পরিস্থিতিটা সত্যিই দারুণ:
সকালে আপনি গাড়ি বিক্রি করছেন, আর সন্ধ্যায় জানা গেল যে 'আসলে আমি একজন রাজপুত্র'—এই কথাটি কোনো পিকআপ লাইন নয়, বরং পারিবারিক জীবনবৃত্তান্ত। 😄


