ব্লুমবার্গ এনইএফ-এর সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, চীন ২০৩৫ সালের মধ্যে তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ২০২৩ সালের সর্বোচ্চ স্তরের তুলনায় ১৭% কমিয়ে আনার পথে রয়েছে। বেইজিংয়ের পূর্বের আনুষ্ঠানিক লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০৩৫ সালের মধ্যে ৭-১০% নির্গমন হ্রাস করা, যার তুলনায় বর্তমান অগ্রগতি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত।
প্রতিবেদনের লেখকরা উল্লেখ করেছেন যে, এই ফলাফল দেশটির জ্বালানি রূপান্তরের গতি বৃদ্ধির প্রতিফলন। জীবাশ্ম জ্বালানির ঊর্ধ্বমুখী দাম এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে চীন অন্যান্য বড় জ্বালানি আমদানিকারক দেশের মতো নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে আরও সক্রিয়ভাবে ঝুঁকছে।
ব্লুমবার্গ এনইএফ-এর পূর্বাভাস অনুসারে, ২০৫০ সালের মধ্যে চীনে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন প্রায় ৫০% হ্রাস পেতে পারে। তবে বিশ্লেষকরা জোর দিয়ে বলেছেন যে, বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে এই পদক্ষেপ যথেষ্ট নাও হতে পারে, যদিও বর্তমান পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক উন্নত দেখাচ্ছে। এ ছাড়াও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৮১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার জন্য এখনও একটি "নির্ভরযোগ্য" পথ বিদ্যমান।
ইরানের সাথে যুদ্ধের প্রভাবে জীবাশ্ম জ্বালানির দাম যখন আকাশচুম্বী, ঠিক তখনই এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হলো। ব্লুমবার্গ উল্লেখ করেছে যে, এই ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল দেশগুলো নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসে স্থানান্তরিত হওয়ার গতি ত্বরান্বিত করছে।




