মাইনৎসে-তে একটি সাধারণ দিন হঠাৎই পরিণত হলো এক বিশেষ অভিযানে, যার মাত্রা ছিল:
«কেউ নড়বে না। আমাদের কাছে একটি গাঙচিল আছে»।
পাখিটি কোনোমতে তার পা দিয়ে মাছ ধরার বড়শিতে আটকে পড়ে সেতু থেকে প্রায় আট মিটার দূরে একটি ইস্পাতের তারে ঝুলে ছিল।
পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছিল, যেন গাঙচিলটি ভুলে নিজের জন্য এক ভিআইপি-প্রবেশাধিকার তৈরি করে ফেলেছে সেখানে, যেখানে সাধারণ পাখিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ।
তার কাছে পৌঁছানোর জন্য দমকলকর্মীদের একটি উঁচু মই আনতে হয়েছিল, আর পুলিশকে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ করতে হয়েছিল।
অর্থাৎ কোথাও মানুষ যানজটে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করছিল:
— কী হয়েছে?
আর উত্তর ছিল:
— গাঙচিল।
আর সবচেয়ে সুন্দর ব্যাপার হলো — সেটি সত্যিই যথেষ্ট কারণ ছিল।
কোনো আতঙ্ক নয়, কোনো তাড়াহুড়ো নয়। শুধু একটি পুরো শহর কয়েক মিনিটের জন্য নিজেকে খাপ খাইয়ে নিল একটি পাখির সঙ্গে, যে স্পষ্টতই দিনের প্রধান ঘটনা হতে চায়নি।
গাঙচিলটির কথা নিজেও ভাবা যায়:
— আমি তো শুধু নিজের কাজে উড়ে যাচ্ছিলাম। চারপাশে হঠাৎ দমকলকর্মী, পুলিশ আর রাস্তা বন্ধ কেন?
শেষে উদ্ধারকর্মীরা পাখিটিকে নামিয়ে আনলেন, আর যান চলাচল স্বাভাবিক করা হলো।
তাই এখন মাইনৎসে-র আছে এমন এক কাহিনি, যেখানে একটি গাঙচিল কিছু সময়ের জন্য শহরের অর্ধেকের চেয়েও বেশি রাস্তার অগ্রাধিকার পেয়েছিল।
যাত্রীর গুরুত্বের মাত্রা: গাঙচিল — ভিআইপি। 😄




