SpaceX এবং Tesla টেক্সাসে একটি বিশাল চিপ উৎপাদন কেন্দ্র টেরাফ্যাব তৈরি করছে। এর প্রথম ধাপের ব্যয় প্রায় $16.8 বিলিয়ন অনুমান করা হয়েছে, এবং সম্পূর্ণ রূপে বিকশিত হলে এই কমপ্লেক্সের আয়তন প্রায় 9.3 মিলিয়ন বর্গমিটার পর্যন্ত হতে পারে – যা প্রায় 1300 ফুটবল মাঠের সমান।
ইলন মাস্ক ইতিমধ্যেই ভবিষ্যতের এই টেরাফ্যাবকে পেন্টাগনের সঙ্গে তুলনা করেছেন; তাঁর মতে, এই কমপ্লেক্স প্রায় ৫০ গুণ বড় হবে।
তবে শুধু আকারই এর একমাত্র গুরুত্ব নয়।
টেরাফ্যাব Tesla এবং SpaceX-কে Optimus, Cybercab এবং ভবিষ্যতের অরবিটাল পরিকাঠামোর জন্য নিজস্ব কম্পিউটিং ক্ষমতা সরবরাহ করবে। প্রকৃতপক্ষে, মাস্ক নতুন অর্থনীতির অন্যতম দুষ্প্রাপ্য সম্পদ – উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন চিপ উৎপাদন – নিয়ন্ত্রণ করতে চান।
এর পেছনের যুক্তিটি Tesla-র ব্যাটারির ক্ষেত্রেও একই ছিল: যদি বাজার প্রয়োজনীয় পরিমাণ সরবরাহ করতে না পারে, তবে নিজস্ব গিগাফ্যাক্টরি তৈরি করতে হবে।
তবে এবার বাজি অনেক বেশি বড়।
এখন শুধু গাড়ির ব্যাপার নয়। রোবট, স্বায়ত্তশাসিত পরিবহন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, শক্তি, সেমিকন্ডাক্টর এবং মহাকাশ – সবকিছুই ধীরে ধীরে একটি একক ব্যবস্থার অধীনে একত্রিত হচ্ছে।
যদি এই কৌশল সফল হয়, তবে টেরাফ্যাব কেবল একটি কারখানা থাকবে না, বরং এআই যুগের অন্যতম প্রধান সম্পদে পরিণত হবে।
কারণ নতুন এই প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় শুধু তারাই জিতবে না যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সেরা মডেল তৈরি করে।
জিতবে তারাই যারা কম্পিউটেশন নিয়ন্ত্রণ করে।


