❓ প্রশ্ন:
এই পৃথিবীতে আপনার মহৎ লক্ষ্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাই এবং মহাবিশ্বের কাছে আমি কৃতজ্ঞ যে আমরা একই সময়ে এই জীবন অতিবাহিত করছি! অতিমারীর সময়ে আমার একমাত্র ছেলে, যে একজন চিকিৎসক ছিল, স্বেচ্ছায় এই জীবন ত্যাগ করেছে। দীর্ঘ এক দশক ধরে সে এই পথেই এগিয়ে যাচ্ছিল। সে যুদ্ধ এবং আরও অনেক কিছুর পূর্বাভাস দিয়েছিল। জীবিতাবস্থায় সে একজন নাস্তিক ছিল। কিন্তু ‘মৃত্যুর’ ঠিক এক ঘণ্টা পর সে জীবিত থাকার সংকেত দেয় এবং গত ৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করছি। দয়া করে শুধু নিশ্চিত করুন যে, এই যোগাযোগ আসলেই সম্ভব।
❗️ উত্তর lee:
এটি একটি স্বাভাবিক এবং প্রাকৃতিক বিষয়। ভৌত জগতের বাইরে যারা বিস্তৃত হয়েছে, তাদের সাথে যোগাযোগ না থাকাটা মূলত অতীতের এই জগতের সীমাবদ্ধতার (বিভ্রমের) একটি লক্ষণ। আগামী দুই-তিন প্রজন্মের মধ্যেই এই ধরনের যোগাযোগ একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। তাই যারা শরীর ধারণ করে বেঁচে আছেন, তাদের কাছে মৃত্যুর বিষয়টি চিরতরে নেতিবাচক তকমা মুক্ত হবে।

আমার প্রায় সব নিকটাত্মীয়ই তাদের মহাপ্রয়াণের মুহূর্তে আমার সাথে যোগাযোগ করেছিলেন এবং এটি আমার কাছে ততটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যেমনটা শনিবারের পর রবিবার আসা। আপনার ছেলের সাথে আপনার প্রকৃতই যোগাযোগ রয়েছে, যদিও পার্থিব রূপের প্রতি মোহের কারণে আপনি হয়তো তার ব্যক্তিত্বের অনুভূতিকে অনেকটা সংকুচিত করে দেখছেন। আপনার ভাবনার চেয়েও সে অনেক বেশি বড় সত্তা।





