2026 সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড পরিমাণ ব্যাটারি সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে — যার নতুন সক্ষমতা 20,2 গিগাওয়াট-ঘণ্টা।
এটি প্রায় 700 হাজার বাড়ির দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট।
দেশটি একটি নতুন বার্ষিক রেকর্ডের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে: পূর্বাভাস অনুযায়ী, বছরের শেষ নাগাদ 71 গিগাওয়াট-ঘণ্টা স্থাপিত হবে, যা গত বছরের তুলনায় 20% বেশি।
ব্যাটারির দাম কমে যাওয়া এবং গ্রিডে সৌর ও বায়ু শক্তির মতো নবায়নযোগ্য উৎসগুলো যোগ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শক্তি সঞ্চয়ের ক্রমবর্ধমান চাহিদাই এই প্রবৃদ্ধির কারণ।
এই রেকর্ডে প্রধান অবদান রেখেছে বৃহৎ গ্রিড প্রকল্পগুলো: এই প্রান্তিকে প্রতিটি এক গিগাওয়াট-ঘণ্টার বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন সাতটি গিগাস্কেল স্থাপনা চালু হয়েছে।
'বিহাইন্ড-দ্য-মিটার' বা গ্রাহক-প্রান্তের সেগমেন্টে — অর্থাৎ বাড়ি বা ব্যবসার মালিকানাধীন সিস্টেমগুলোর মধ্যে — ডেটা সেন্টারগুলো এগিয়ে রয়েছে, যেগুলোর অংশ ছিল নতুন বাণিজ্যিক ব্যাটারিগুলোর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ।
তবে আবাসিক স্থাপনাগুলো এর বিপরীতে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে: বছরের সামগ্রিক ফলাফলে 16% হ্রাসের আশঙ্কা রয়েছে।
এর প্রধান কারণ হলো 2025 সালে ট্যাক্স ক্রেডিটের মেয়াদ শেষ হওয়া, যা আবাসিক স্টোরেজ সিস্টেমগুলোতে ভর্তুকি প্রদান করত।
BloombergNEF-এর বিশ্লেষক ইস্যু কিকুমা উল্লেখ করেছেন, “এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শক্তিশালী একটি খাত।”
একই সাথে, এই শিল্পটি ধীরে ধীরে মার্কিন উৎপাদনের দিকে মনোনিবেশ করছে: বর্তমান সিস্টেমগুলোর প্রায় সবকটিতেই চীনের তৈরি সেল ব্যবহার করা হয়, তবে ট্যারিফ এবং ট্যাক্স ক্রেডিটের শর্তাবলি স্থানীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করছে।
Benchmark Mineral Intelligence-এর বিশেষজ্ঞ শান টমুক সতর্ক করেছেন যে, 2030 সালের আগে দেশীয় কারখানাগুলোর মাধ্যমে চাহিদা পুরোপুরি মেটানো সম্ভব হবে না।
আগামী বছরগুলোতে এটি শক্তি সঞ্চয়ের ব্যয়ের ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে?

