মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সঙ্ঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবের বিপরীতে ইরানের পাঠানো জবাবকে 'সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য' বলে অভিহিত করেছেন, যা মূলত তাৎক্ষণিক আলোচনার পথ বন্ধ করে দিয়েছে।
এই সিদ্ধান্তটি উভয় পক্ষের স্বার্থের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে: ওয়াশিংটন এই অঞ্চলে তেহরানের প্রভাব কমাতে চাইছে, অন্যদিকে ইরান নতুন নিষেধাজ্ঞার কবল থেকে তাদের পারমাণবিক ও সামরিক কর্মসূচিগুলো রক্ষা করতে চাইছে।
প্রত্যাখ্যানের কারণগুলো মূল পয়েন্টগুলোর ওপর মতভেদের মধ্যে নিহিত রয়েছে: ইরান যেকোনো ছাড় দেওয়ার আগে আংশিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেন এবং লেবাননে ইরানের মিত্রদের প্রতি সমর্থন অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি করেছিল।
তেহরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ৬০ শতাংশে বজায় রাখার যে দাবি করেছে, ওয়াশিংটন তাকে ইসরায়েল এবং পারস্য উপসাগরীয় মিত্রদের নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে গণ্য করেছে।
এর ফলে উত্তেজনার পারদ চড়ে অবকাঠামোতে নতুন করে হামলা এবং তেলের দাম বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।



