গত এপ্রিল মাসে চীন থেকে যাত্রীবাহী গাড়ি রপ্তানিতে ৮৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে, যা বিশ্ব গাড়ির বাজারের আমূল পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত এবং ২০২৬ সালের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক জোয়ারের পূর্বাভাস দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনা নির্মাতাদের আক্রমণাত্মক মূল্য নির্ধারণের নীতি এবং ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে দ্রুত আধিপত্য বিস্তার এই অভাবনীয় সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিওয়াইডি (BYD) এবং চেরির (Chery) মতো কোম্পানিগুলো বৈদ্যুতিক গাড়ির সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে, যা ভলিউম এবং নতুন পরিবেশগত মানদণ্ডের সাথে মানিয়ে নেওয়ার গতির দিক থেকে প্রথাগত শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে।
বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য অত্যন্ত স্পষ্ট: অভ্যন্তরীণ চাহিদার ওপর নির্ভরতা কমানো এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্য বিধিনিষেধের মধ্যেও বিশ্ব বাজারে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করা।
বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে এবং লজিস্টিক সাপ্লাই চেইন আরও উন্নত হলে ২০২৬ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী যাত্রীবাহী গাড়ি রপ্তানির ২০ শতাংশেরও বেশি চীনের দখলে চলে যেতে পারে।
তবে কিছু ঝুঁকি এখনও বিদ্যমান: সম্ভাব্য নতুন শুল্ক আরোপ এবং প্রতিযোগীদের পাল্টা ব্যবস্থা এই প্রবৃদ্ধির গতি ধীর করে দিতে পারে, যা চীনা গাড়ি নির্মাতাদের বিকল্প কৌশল খুঁজতে বাধ্য করছে।



