ভারতীয় সোশ্যাল মিডিয়ায় আবারও দুটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে লক্ষ লক্ষ ভিউ পেয়েছে। একটি ওডিশা থেকে, অন্যটি মধ্যপ্রদেশ থেকে। দুটোই দেখায় কীভাবে সাধারণ রাস্তার দুষ্টুমি ভাইরাল কন্টেন্টে পরিণত হয় এবং দ্রুত পুলিশের নজরে আসে।
রাউরকেলায় এক তরুণী ছেন্ড এলাকা এবং প্লুটন মল-এর কাছে ব্যস্ত রাস্তার মাঝে নাচের আয়োজন করে। 25 আগস্ট 2026 সালে ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত ভিডিওতে তাকে বারগান্ডি টপ এবং বেগুনি স্কার্টে দেখা যায়। নাচটি যান চলাচল বন্ধ করে দেয়, দর্শকদের ভিড় জমায় এবং জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ তোলে। রাউরকেলা পুলিশ তরুণীকে আটক করে। সরকারি অভিযোগ এখনও নিশ্চিত নয়, তবে নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া বিভক্ত: কেউ যান চলাচলে বাধা দেওয়ার নিন্দা করেছে, কেউ তার আত্মবিশ্বাসের প্রশংসা করেছে।
গোয়ালিয়রে গল্পটা ভিন্ন। সাদা মারুতি সুজুকি সুইফট-এর মালিক আদিত্য সিকারওয়ার তার বান্ধবীকে গাড়িতে প্রায় 3400টি লিপস্টিকের ছাপ দিতে দেয়। এতে প্রায় চার ঘণ্টা এবং কয়েক টিউব লিপস্টিক লেগেছিল। 'চুম্বনের গাড়ি' ভিডিওটি একদিনে 5,5 মিলিয়ন ভিউ পায়। গোয়ালিয়র ট্রাফিক পুলিশ নম্বর প্লেট খুঁজে বের করে মালিককে থানায় ডাকে। আদিত্যকে যানবাহন পরিবর্তনের ধারায় 5500 টাকা জরিমানা করা হয় এবং গাড়িটি ঘটনাস্থলেই ধুয়ে ফেলতে বাধ্য করা হয়।
দুটি ঘটনাই রাস্তার ট্রেন্ডের ক্রমবর্ধমান ঢেউয়ের অংশ, যেখানে লাইক ও ফলোয়ার পাওয়ার ইচ্ছা সাধারণ সীমা ছাড়িয়ে যায়। রাউরকেলায় নাচ যান চলাচল ব্যাহত করেছে, গোয়ালিয়রে গাড়ির সাজসজ্জার নিয়ম। ভিডিওগুলো নজরে পড়ার সাথে সাথে উভয় শহরের পুলিশ দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
কী কারণে মানুষ রাস্তার মাঝে এমন পারফরম্যান্স করে বা নিজের গাড়িকে শিল্পকর্মে পরিণত করে? উত্তর, মনে হয়, সবসময় এক: আশা যে এই ভিডিওটিই ভাইরাল হবে।

