একটি ভিডিওতে জেনা ওর্তেগার সাম্প্রতিক উপস্থিতি তার উল্লেখযোগ্যভাবে পাতলা শরীরের প্রতি সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। এর পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো মন্তব্যে ভরে ওঠে, যেখানে ভক্তরা এই অভিনেত্রীকে আরিয়ানা গ্র্যান্ডের সাথে তুলনা করছেন এবং উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের পোস্টগুলোতে জোর দেওয়া হয়েছে যে, এই পরিবর্তন খালি চোখেই স্পষ্ট, এবং এটি আগের মতোই একই প্রশ্ন উত্থাপন করছে। লেখকরা উল্লেখ করেছেন যে, ছবি দেখে রোগ নির্ণয় করা উচিত নয়, তবে দৃশ্যমান পরিবর্তনগুলিকেও উপেক্ষা করা যায় না।
এই আলোচনা কেবল ব্যক্তিগত সমালোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। অনেকেই এর মধ্যে শিল্পের একটি পদ্ধতিগত সমস্যা দেখছেন, যেখানে চরম শীর্ণতা আবারও একটি সাধারণ রীতিতে পরিণত হচ্ছে এবং এমনকি এটিকে উৎসাহিতও করা হচ্ছে। এটি শুধুমাত্র ওজেম্পিকের বিষয় নয়, বরং এটি একটি বৃহত্তর সংস্কৃতির অংশ যা অন্যান্য প্রবণতার পর অতি-পাতলা সৌন্দর্যের মানদণ্ডকে ফিরিয়ে আনছে।
ভক্তরা লিখছেন যে, জেনা সবসময়ই ছিপছিপে ছিলেন, তবে সাম্প্রতিক ছবিগুলি এই অনুভূতিকে আরও জোরালো করছে যেন ২০০০-এর দশকের প্রবণতা ফিরে আসছে। কিছু মন্তব্যকারী কিশোর-কিশোরীদের উপর এর প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন, কারণ ওর্তেগার মতো তারকারা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ।
অন্যরা বলছেন যে তারা এতে নতুন কিছু দেখছেন না, অথবা তারা এই পরিবর্তনগুলিকে বয়স, মেকআপ এবং প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার ফল হিসেবে দায়ী করছেন। তা সত্ত্বেও, আলোচনার মূল সুর হলো হলিউড কীভাবে তরুণ অভিনেত্রীদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে তা নিয়ে উদ্বেগ।
কিন্তু এমন মানদণ্ডকে আবার স্বাভাবিক করার কি কোনো প্রয়োজন আছে? তারকারা যতক্ষণ নীরব আছেন, ততক্ষণ প্রশ্নটি অমীমাংসিতই থেকে যাচ্ছে।

