২০২৬ সালের ২৩ অক্টোবর Department of War তাদের PURSUE কর্মসূচির আওতায় নথির সপ্তম দফা প্রকাশ করেছে। জনবিষয়ক সহকারী সচিব Sean Parnell-এর আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়, নতুন ফাইলগুলো সরকারি পোর্টালে যুক্ত হয়েছে এবং পরবর্তী দফার নথি প্রকাশের কাজও চলছে। ফলে আগের প্রকাশগুলোর ধারাবাহিকতায় আরও কিছু উপাদান জনসাধারণের পর্যালোচনার জন্য উন্মুক্ত হলো।
FBI-UAP-D043, FD-302, Unidentified Aerial Object Observation Report, 2026: This FBI document records a 2026 interview with two federal agents who reported seeing a black triangle UAP at a national security site. war.gov/UFO/?releaseDa…
এবারের সংরক্ষণাগারে যোগ হয়েছে ২৮টি নথি, যার সবই পিডিএফ। পোর্টালে থাকা মোট উপকরণের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭৮-এ। এই দফায় কোনো ভিডিও নেই; নথির বড় অংশজুড়ে রয়েছে অতীতের প্রতিবেদন এবং সাম্প্রতিক প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ। অর্থাৎ, নতুন প্রকাশটি মূলত লিখিত তথ্য ও সাক্ষ্যনির্ভর।

দুটি পরস্পর-সম্পর্কিত ফাইল বিশেষভাবে নজর কেড়েছে: AARO-এর স্মারকলিপি DOW-UAP-D176 এবং FBI-এর প্রতিবেদন FD-302, যার পরিচিতি FBI-UAP-D043। ওই FBI নথিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলের একটি নিরাপদ জাতীয় নিরাপত্তা স্থাপনায় ফেডারেল এজেন্টরা একটি অজ্ঞাত বস্তু দেখেন। তাঁদের বর্ণনায়, বস্তুটি ছিল প্রতিফলনহীন, ম্যাট কালো ত্রিভুজ। এর আনুমানিক ডানার বিস্তার ছিল ১৩–১৫ ফুট এবং পুরুত্ব ১–২ ফুট।
DOW-UAP-D176, Triangular UAP AARO Memorandum for Record, 2026: An official memorandum details a witness debriefing about a black triangular UAP observed in the western United States in 2026. The report notes the object rose vertically, hovered, and then descended into a
সাক্ষীদের বিবরণ অনুযায়ী, বস্তুটি একটি পাহাড়ি শৈলশিরার ওপর উল্লম্বভাবে উঠে ২০০–৩০০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছায়। এরপর প্রায় ২০ সেকেন্ড সম্পূর্ণ স্থির অবস্থায় ভেসে থাকে; তারপর দ্রুত দিক বদলে গিরিখাতের দিকে ছুটে যায়। এর গতি তুলনা করা হয় যুদ্ধবিমানের গতির সঙ্গে। কোনো শব্দ শোনা যায়নি, আর ইঞ্জিন বা নিষ্কাশন থেকে আসা তাপের চিহ্নও পর্যবেক্ষকদের যন্ত্রে ধরা পড়েনি। অন্য একটি পোস্ট থেকে তৃতীয় এক কর্মী তাপ-চিত্রগ্রাহকের মাধ্যমে একই বস্তুটি দেখেন।
FBI-UAP-D043 প্রতিবেদনের সঙ্গে নয়টি চিত্র সংযুক্ত রয়েছে। এজেন্টদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে তৈরি এসব চিত্রে ভূপ্রকৃতি এবং বস্তুর অবস্থান পুনর্গঠন করা হয়েছে। পাহাড়ি শৈলশিরার পটভূমিতে কালো ত্রিভুজাকার অবয়বটির উত্থান, স্থিরভাবে ভেসে থাকা এবং গিরিখাতের দিকে চলে যাওয়ার বিভিন্ন পর্যায় দেখানো হয়েছে। তবে এগুলো কোনো আলোকচিত্র বা সেন্সরের ধারণ করা দৃশ্য নয়; সরকারি নথির সঙ্গে যুক্ত দৃশ্যভিত্তিক পুনর্নির্মাণ। মামলাটির অবস্থা এখনো অমীমাংসিত।
এই দফার অন্য নথির মধ্যে রয়েছে উটাহর একটি খামারে ২০১০ সালে চালানো তদন্তসংক্রান্ত উপাদান, AAWSAP কর্মসূচি ও এর ঠিকাদার BAASS-এর আরও কিছু ফাইল। পাশাপাশি, ক্যালিফোর্নিয়ার Catalina Island-এর কাছে ১৯৪৯, ১৯৫২, ১৯৫৩ ও ১৯৫৫ সালে দেখা যাওয়া অজ্ঞাত বস্তুর ধারাবাহিক প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৫৭ সালের সৌদি আরববিষয়ক একটি গোয়েন্দা সারসংক্ষেপও রয়েছে। ফলে সাম্প্রতিক সাক্ষ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় ও স্থানের ঐতিহাসিক নথিও একই সংগ্রহে এসেছে।
সপ্তম দফার প্রকাশ আগের ব্যাচগুলোতে শুরু হওয়া ধারাটিই এগিয়ে নিয়েছে। ত্রিভুজাকার আকৃতি, নিঃশব্দ চলাচল এবং তাপীয় চিহ্নের অনুপস্থিতি—এই বৈশিষ্ট্যগুলো অতীতের কয়েক দশকের সাক্ষ্যেও উঠে এসেছে। এবার ২০২৬ সালে ফেডারেল এজেন্টদের বর্ণনায় সেগুলো নথিবদ্ধ হয়েছে, সঙ্গে রয়েছে সরকারি পুনর্নির্মাণ-চিত্র। একসময় যা সীমিত ও বিশেষ কর্মসূচির প্রতিবেদনে আটকে ছিল, তা এখন একটি পোর্টালে ঐতিহাসিক উপকরণের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে। নথিগুলো অধ্যয়নের জন্য উন্মুক্ত, আর প্রকাশের প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে।


