ডগ এজিং প্রজেক্টের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, যেসব কুকুর অন্য কুকুরের সঙ্গে বসবাস করে তারা বিভিন্ন রোগে অনেক কম আক্রান্ত হয়। '৬০ মিনিটস' অনুষ্ঠানের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্যগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে বিশেষজ্ঞরা এই দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্পের মূল ফলাফলগুলো তুলে ধরেছেন।
বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন বয়স ও ভিন্ন পরিবেশে থাকা হাজার হাজার কুকুরের স্বাস্থ্যের অবস্থা বিশ্লেষণ করেছেন। এতে দেখা গেছে যে, বাড়িতে অন্য সঙ্গীর উপস্থিতি কুকুরের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
এই ইতিবাচক প্রভাবের কারণ হিসেবে শারীরিক পরিশ্রম বৃদ্ধি এবং মানসিক চাপ কমে যাওয়ার বিষয়টিকে ধারণা করা হচ্ছে। সঙ্গীর সাথে থাকলে কুকুররা বেশি খেলাধুলা করে, ঘুরে বেড়ায় এবং একে অপরের সাথে মেলামেশা করে, যা তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
মালিকদের জন্য এই গবেষণার অর্থ হলো, দ্বিতীয় একটি পোষা প্রাণী পালনের সিদ্ধান্ত প্রথম প্রাণীটির কেবল মানসিক অবস্থাই নয়, বরং শারীরিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটাতে পারে। তবে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় প্রতিটি কুকুরের স্বভাব এবং প্রয়োজনের বিষয়টি বিবেচনা করা জরুরি।
কুকুরের আয়ু এবং জীবনযাত্রার মানকে প্রভাবিত করে এমন বিষয়গুলো আরও নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করতে ডগ এজিং প্রজেক্ট এখনও তথ্য সংগ্রহ করে যাচ্ছে। এ ধরনের গবেষণা বাস্তব পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে যত্ন নেওয়ার নির্দেশিকা তৈরিতে সাহায্য করে, যার ফলে মালিকরা বৈজ্ঞানিক ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে তাদের পোষা প্রাণীর বিষয়ে আরও সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।




