২০২৬ সালের ৩ জুলাই তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে এবং ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির প্রার্থী সু চিয়াও-হুই তাইপেই পেট প্রোডাক্টস এক্সিবিশন বা পোষা প্রাণী সামগ্রীর প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। রাষ্ট্রপ্রধান এই শিল্পের প্রতি তার সমর্থন ব্যক্ত করেন, নিজের দত্তক নেওয়া দুটি কুকুরের কথা তুলে ধরেন এবং ব্যক্তিগতভাবে কিছু পোষ্য সামগ্রী বেছে নেন, যার মধ্যে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট সিয়াও মেই-চিনের পোষা প্রাণীদের জন্য উপহারও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
‘কুকুর-প্রেমী’ হিসেবে পরিচিত লাই চিং-তে মেলায় বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং পোষা প্রাণীদের খাবার, সরঞ্জাম ও খেলনা পর্যবেক্ষণ করেন। আনুষ্ঠানিক পর্ব শেষে তিনি বিড়ালদের জন্য বেল-স্টিক বা ঘণ্টার লাঠি, ক্যাটনিপ এবং বিভিন্ন ধরনের খেলনা ক্রয় করেন। সু চিয়াও-হুই পশুদের খাদ্য, আবাসন এবং পরিবহনের ক্ষেত্রে সঠিক নীতিমালার গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে আইন পরিবর্তনের সময় উৎপাদনকারীদের মতামত বিবেচনা করার আহ্বান জানান।
উন্নত মানের পোষ্য সামগ্রীর প্রতি তাইওয়ানবাসীদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন যে, পোষা প্রাণীদের মালিকদের জন্য আরও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করতে সরকার এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এই সফরটি এই খাতের প্রতি কর্তৃপক্ষের বিশেষ মনোযোগের বহিঃপ্রকাশ: লাই চিং-তে কেবল জনসমক্ষে এই শিল্পকে সমর্থনই করেননি, বরং পণ্য নির্বাচনে সশরীরে অংশও নিয়েছেন।
এ ধরনের সফর প্রাণিকল্যাণ এবং বাজার বিকাশের বিষয়গুলোর প্রতি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এগুলো প্রমাণ করে যে, উচ্চপর্যায়ের রাজনীতিবিদেরাও বিড়াল ও কুকুরের মালিকদের দৈনন্দিন প্রয়োজনগুলো নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী। প্রেসিডেন্টের এই কেনাকাটা দেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদদের পোষা প্রাণীদের প্রতি স্নেহ ও যত্নের এক অনন্য প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
এই পুরো বিষয়টি একটি বৃহত্তর প্রবণতাকে নির্দেশ করে: তাইওয়ানে পোষা প্রাণী পালনকারী পরিবারের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই প্রদর্শনীগুলো মালিক, উৎপাদক ও প্রশাসনের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করছে। এ ধরনের উদ্যোগ দায়িত্বশীলভাবে পোষা প্রাণী পালনের বিষয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে।



