২০২৬ সালের বিশ্বকাপ শুরুর প্রাক্কালে, সোশ্যাল মিডিয়া কুকুরসহ সমর্থকদের জন্য অভূতপূর্ব আরামের গুজবে ভরে উঠেছে। স্টেডিয়ামের ঠিক পাশেই পোষা প্রাণীদের জন্য প্রযুক্তিগত হোটেল "ডগ জোনস"-এর ধারণাটি শুনতে আকর্ষণীয় মনে হলেও, ২০২৬ সালের বাস্তবতা অনেক বেশি নিরস এবং কঠোর।
ফিফা (FIFA) আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে: স্টেডিয়ামগুলোর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে পোষা প্রাণীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। ব্যতিক্রম কেবল লাইসেন্সপ্রাপ্ত গাইড কুকুরের জন্য। "মানবিকীকরণের" এই যুগে সংস্থাটি কেন এত রক্ষণশীল? উত্তরটি সহজ: নিরাপত্তা এবং জলবায়ু। উত্তর আমেরিকার চরম গ্রীষ্মকালীন দাবদাহের মধ্যে হাজার হাজার কুকুরের সাময়িক আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা একটি লজিস্টিক দুঃস্বপ্ন, যার জন্য টুর্নামেন্টের বীমা কোম্পানিগুলো কখনোই অনুমতি দেবে না।
তাহলে ভ্রমণকারী ভক্তরা কী করবেন? ২০২৬ সাল ডিজিটাল ভেটেরিনারি পাসপোর্টের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর মধ্যে প্রাণী পরিবহনের নিয়মগুলোকে সত্যিই সহজ করেছে, তবে ম্যাচের সময় পোষা প্রাণীর যত্ন নেওয়ার বিষয়টি মালিকের ব্যক্তিগত ব্যাপার হয়েই থাকছে। অফিসিয়াল "ডগ জোনস"-এর পরিবর্তে, ভক্তরা প্রত্যয়িত পেট-ফ্রেন্ডলি হোটেল এবং ব্যক্তিগত সিটারদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছেন, যারা এই মৌসুমে দাম তিনগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
ভবিষ্যতে এই অভিজ্ঞতা আয়োজক শহরগুলোকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক শহুরে পরিবেশ তৈরিতে উৎসাহিত করতে পারে। কিন্তু আপাতত স্টেডিয়ামটি মানুষ এবং প্রযুক্তির এলাকা হিসেবেই থাকছে। এমনকি মন্টেরিতেও, জীবন্ত কুকুরের পরিবর্তে স্বায়ত্তশাসিত রোবট কুকুর শৃঙ্খলা রক্ষা করছে, যা স্বাস্থ্যের ঝুঁকি ছাড়াই প্রচণ্ড গরমে কাজ করতে সক্ষম।
আমরা কি এই সত্যটি মেনে নিতে প্রস্তুত যে এমনকি ক্রীড়া জগতের সবচেয়ে বড় উৎসবেও অন্তর্ভুক্তির কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে? আপাতত উত্তরটি ইতিবাচক। ফিফার কাছে খেলার নিরাপত্তা এবং গ্যালারিতে লক্ষ লক্ষ দর্শকের আরাম এক নম্বর অগ্রাধিকার হিসেবেই থাকছে।




