খাদ্যাভ্যাস এবং স্থূলতা: একটি সামাজিক-মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

সম্পাদনা করেছেন: Olga Samsonova

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, স্থূলতার প্রধান কারণ শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা নয়, বরং খাদ্যাভ্যাস। উন্নত এবং উন্নয়নশীল উভয় অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ক্যালোরি ব্যয়ের হার প্রায় একই, যা খাদ্য নির্বাচনের সামাজিক এবং মানসিক দিকগুলির উপর আলোকপাত করে।

খাদ্যাভ্যাস মানুষের আচরণকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। খাদ্য পছন্দের ক্ষেত্রে সামাজিক চাপ, পরিবারের সংস্কৃতি এবং মানসিক অবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদাহরণস্বরূপ, বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে। এছাড়াও, খাদ্য বিজ্ঞাপন এবং বিপণন কৌশলগুলি মানুষের খাদ্য গ্রহণের আচরণকে প্রভাবিত করে।

বাংলাদেশে, খাদ্য সংস্কৃতি এবং সামাজিক রীতিনীতিগুলি স্থূলতার কারণগুলির সাথে জড়িত। উৎসব এবং সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। মানসিক চাপ বা উদ্বেগের কারণে অনেকে আরামদায়ক খাবার গ্রহণ করে, যা ওজন বাড়াতে সহায়ক।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন সামাজিক সমর্থন, শিক্ষা এবং মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা। খাদ্য এবং পুষ্টি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান এবং সচেতনতা তৈরি করা হলে, মানুষ স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার দিকে আরও বেশি আকৃষ্ট হবে।

উৎসসমূহ

  • CapeTown ETC

  • The Independent

আপনি কি কোনো ত্রুটি বা অসঠিকতা খুঁজে পেয়েছেন?

আমরা আপনার মন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিবেচনা করব।